কথায় কথায় আন্দোলন-সংগ্রামে মুখর শিক্ষার্থী-তরুণ প্রজন্ম
কথ য় কথ য় আন দ লন – বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ কিশোর ও তরুণ জনগোষ্ঠী কর্মক্ষম। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই জনগোষ্ঠীর আধিক্য দেশের উন্নয়নের সর্বোচ্চ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তবে এ সুযোগ কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। যেহেতু এই তরুণ জনগোষ্ঠীর মেধা ও সৃজনশীলতা অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিবিধির মূল চালিকা শক্তি হতে পারে, তাই তাদের কর্মক্ষমতা এবং শ্রম সম্মিলিত প্রয়াস দেশের প্রকৃত অগ্রগতির পথ খুলতে পারে।
তরুণের সামাজিক চাপ ও প্রযুক্তির ব্যবহার
তরুণ সমাজ প্রযুক্তির উৎকর্ষতা ও নতুন আবিষ্কারে সরব হয়েছে। যার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন মাধ্যমে তারা তাদের মনোভাব ও অভিজ্ঞতা প্রকাশ করছে। কিন্তু হালের বাস্তবতা হলো, তরুণ ও শিক্ষার্থীদের অনেক সময় মেধা ও শ্রম কাজে লাগানো হচ্ছে না। বরং ফেসবুকে কেন্দ্রিক উপস্থিতি ও ভিডিও গেমের মাধ্যমে তারা নিজেদের নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অর্থনীতিতে নিয়োগ দেওয়ার পরিবর্তে বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে অতিবেগে গড়ে উঠছে প্রতিক্রিয়া।
তরুণদের মেধা মনন ও সৃজনশীল চিন্তাকে কাজে লাগানো হলো অপরিহার্য ছিল। কিন্তু বর্তমানে তারা বেশি শ্রম কাজে লাগাচ্ছে না।
শিক্ষার্থীদের বিপুল বিচ্ছুরণ ও রাষ্ট্রীয় প্রভাব
২০২৬ সালে সর্ব শিক্ষা বোর্ডের আওতায় একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরবর্তীতে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে না বিপুল সংখ্যক ছাত্র। এটি অনুপাতে সত্য হাসিমাখা বলে মনে হয়। যার ফলে বাংলাদেশে অভিভাবকদের ভোগান্তি তাদের সন্তানদের সম্পর্কে মানে দল-মত বা নীতি নির্ধারকদের প্রতি চিন্তা সৃষ্টি করছে।
বিপ্লব পরবর্তী সময়ে শিশু কিশোর তরুণদের কাছে অপেক্ষাকৃত আশাবাদী ছিল যে তারা পড়ার টেবিলে ফিরে আসবে। কিন্তু তা ঘটেনি।
আবারো সরব হয়েছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। যেহেতু বিপুল সংখ্যক তরুণ রাস্তায় নামছে, তাই তাদের শিক্ষার সম্পর্কে ব্যাঘাত ঘটছে। এই প্রশ্ন অবশ্য নিয়ে আসছে যে, বাংলাদেশ কি সম্পূর্ণ রূপে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের লাভ পেতে পারে? নিয়মিত উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হলেও চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসেনি নতুন কিশোর তরুণরা। সেই কারণে বাবা মা ও স্বজনেরা তাদের শিক্ষা অর্জনে অসুবিধা ভোগ করছেন।
একাকী অভিভাবকের অবস্থা
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্র তরুণদের শিক্ষা বিরতির কারণ খুঁজছে না। ফলে বিপুল সংখ্যক তরুণ ঘরে
