বাংলাদেশি নুসরাত গিনেস বুকে আবারও নাম লিখিয়েছেন কাগজের তুষারকণা তৈরি করে
ক গজ র ত ষ রকণ ত – বাংলাদেশের গৌরবের নুসরাত জাহান নিপা আবারও গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছেন, যেখানে তিনি কাগজের তুষারকণা তৈরি করে এক মিনিটে কাটিয়ে দিয়েছেন পূর্বের রেকর্ড। নিপা বরিশালের কলেজ রোড এলাকায় বসবাস করেন এবং সরকারি ব্রজমোহন কলেজ থেকে রসায়ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর পেয়েছেন। এখন তিনি একটি বেসরকারি কলেজে শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন, কিন্তু সেই সাথে তার কাগজের তুষারকণা তৈরি করে গড়া রেকর্ডের পরিচয় নিয়ে মুখ ফুঁরিয়ে উঠছে। গত ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তে তিনি কাগজের তুষারকণা তৈরি করে আরও সাফল্য অর্জন করেছেন যেখানে পূর্বের চীনা প্রতিযোগীর রেকর্ড ২৩ দশমিক ১৬ সেকেন্ডের মতো রয়েছিল। নিপা এখন বাংলাদেশে প্রথম নারী হিসেবে তিনবার গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন।
কাগজের তুষারকণা তৈরি করে নতুন রেকর্ড গড়ার প্রক্রিয়া
নুসরাত জাহান নিপার কাগজের তুষারকণা তৈরি করে গড়া রেকর্ডের পেছনে তার অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম ও অনুপ্রেরণার চূড়ান্ত প্রমাণ রয়েছে। তিনি কাগজের তুষারকণা তৈরি করে এক মিনিটে সাধারণ সময়ের তুলনায় বেশি দ্রুত সম্পন্ন করেছেন এবং কাটিয়ে দিয়েছেন গত রেকর্ড বইয়ে রয়েছে। এই সাফল্য তার আগের কাগজের তুষারকণা তৈরি করে বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সাধারণ সময়ে রেকর্ড কাটার চেষ্টা করেছেন যেখানে তিনি সেই প্রক্রিয়া কিভাবে করেছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করতে হবে। এই রেকর্ড গড়ার পেছনে তার সাজানো কাজের ক্ষমতা ও সময় ব্যবস্থাপনার যথেষ্ট ভালো অবদান রয়েছে।
গত বছরে নিপা কাগজের তুষারকণা তৈরি করে প্রথমবারের মতো এক মিনিটে দ্রুত সম্পন্ন করেছেন। তার এই কৃতিত্ব অনেকের কাছে নতুন দিনের প্রতীক হিসেবে উঠেছে। তিনি সর্বাধিক ২১ দশমিক ৮৪ সেকেন্ডে কাগজের তুষারকণা তৈরি করে আবারও গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন। এই সাফল্যের পেছনে তার ধৈর্য ও কাজের স্থায়িত্ব বিশেষ ভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
নিপা বলেন, “কাগজের তুষারকণা তৈরি করে এই সাফল্য সবার সাথে কাজ করে আসার ফল। এটি আমাদের দেশের সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার একটি অংশ হিসেবে আমি স্বীকার করছি। আমি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ এবং আমার সাথে তুষারকণা তৈরি করে বরিশালকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। আশা করি আমার আগের কাগজের তুষারকণা তৈরি করে বিশ্বরেকর্ড ভেঙে আমি আবার নতুন রেকর্ড গড়তে পারব।”
নুসরাত জাহান নিপার কাগজের তুষারকণা তৈরি করে গড়া রেকর্ড বুকে স্থান পেয়ার কৃতিত্ব বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য উপহার হিসেবে কাজ করেছে। তিনি আগে কাগজের তুষারকণা তৈরি করে আরও দুটি রেকর
