রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা বিপর্যয়ের চাপ দূর করতে পারে না, তবে মানবতার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে
দ র য গ র জন ত – বর্ষা মৌসুমের আদিতে দেশের বিশাল অংশ প্রাকৃতিক আঘাতে মুক্তি পেতে পারে না। টানা ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি দ্রুত দুর্ভোগ ঘটিয়েছে। এই দুর্যোগে অসংখ্য মানুষ পানিবন্ধি হয়ে মানবিক আপনার সংকটে পড়েছেন। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে প্রতিটি দেশ অবস্থান সামনে স্থায়ী চাপে পড়েছে। বাংলাদেশের বিনিয়োগ ও আয়ের সামগ্রিক চিত্র অস্থির হয়ে পড়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক গতি প্রতিকূল করছে।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পাঁচ মাসের মধ্যে দেশের নানান সংকট আগমন করেছে। ক্ষমতা অর্জনের পর সরকার প্রথম কয়েক মাসে স্বার্থ সংক্রান্ত সমাজ সাধারণত সংযম দেখায়, যার ফলে আপনার সরকার প্রশাসনিক কাজ সম্পাদনে কিছুটা স্বাধীনতা পায়। কিন্তু বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। শিল্প ও বেসরকারি খাতে অনিশ্চয়তা চাপ আসে এবং আন্তর্জাতিক সমস্যার প্রভাবে নতুন করে অর্থনৈতিক ধ্বংস ঘটেছে।
বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়েছে। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের বাইরে থেকে আসা পণ্যের দাম উপরে বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মসংস্থান বাড়াতে গেলে সাধারণ মানুষের আয়ের পরিমাণ কমেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যয়ের বৃদ্ধি সেই চাপে নতুন বিনিয়োগের উদ্যোগ বাড়াতে পারে না।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত দশকে শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় কর্মসংস্থানের অবকাঠামো হ্রাস পেয়েছে। কৃষিজমি, ফসল, গবাদিপশু এবং মাছ খামার উপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৈশ্বিক অস্থিরতা বাংলাদেশের সংকট বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাবে বিভিন্ন খাতে উৎপাদন এবং বিনিয়োগ কমে গেছে। দেশের সামনে সম্প্রসারণ কাজের গতি হ্রাস পেয�
