ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে জিসান মিয়া বহিষ্কৃত হন
ধর ষণ ও ভ র ণ নষ – কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে। তিনি ছাত্রশিবিরের বহিষ্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংগঠন থেকে বিচ্ছোদিত হন।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় বর্তমান পর্যন্ত নিখোঁজ ঘটনার বিস্তারিত বক্তব্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন।
প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী জিসানকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
ফেসবুক পোস্টে এস এম ফরহাদ ঘোষণা করেন যে গতরাতে জিসানকে উদ্ধার করার পর থেকে তার সঙ্গে কোনো প্রতিনিধিদল বা পরিবারের সদস্য কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এখনো তিনি পুলিশের জিম্মায় রয়েছেন।
নিখোঁজ ঘটনা ও উদ্ধার প্রক্রিয়া
১১ জুন রাতে জিসান নিখোঁজ হন এবং তার চাচাতো ভাই দ্বারা দাউদকান্দি মডেল থানায় জিডি করেন। নিখোঁজ অনুসন্ধানে শুক্রবার রাতে লাকসাম এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
কুমিল্লার সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে জিসান কেউ অপহরণ করেনি। তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন। জিসান উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রতিযোগিতা এবং অভিযোগ
মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় করা হয়েছে। জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, প্রতারণা এবং ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জিসান কয়েক মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে একজন ২৫ বছর বয়সী বিধবা নারীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গঠন করা হয়।
ওই
