বিশ্বকাপের জ্বর পর্তুগালে ছড়িয়ে পড়েছে বিশাল উত্তেজনা
পর ত গ ল জ ড় ব – পর্তুগাল এখন ফুটবল উৎসবের মুখে পড়েছে। সবুজ ও লাল রঙের জার্সি সমস্ত পরিবেশ ঘিরে তুলে দিয়েছে দেশটির সমুদ্র পারে। লিসবন থেকে শুরু করে পোর্তো ও আলগার্ভে পর্যন্ত চত্বরগুলো রাস্তায় খেলার উত্সবে ভরে উঠেছে। দেশটির নাগরিকদের স্থানীয় ক্যাফে, রেস্তোরাঁ ও ঐতিহাসিক জায়গাগুলোতে জাতীয় পতাকার সাথে সবুজ-লাল রঙে ছেয়ে দেখা যাচ্ছে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই পর্তুগালে উত্সাহের আঁচ দেখা যাচ্ছে। লিসবনের প্রাণকেন্দ্র প্রাকা দো কোমার্সিওতে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো হয়েছে যাতে মাঠের খেলা পর্যায়ে দেখা যাবে। এখানে হাজারো সমর্থক একত্র হয়েছেন বিশ্বকাপের প্রতিয়োগিতার উপভোগে। তাদের সাথে সাথে পর্যটকরাও এই উত্সবে মিশেছেন।
সমর্থকদের আস্থা অত্যন্ত উত্তেজনায় পরিপূর্ণ
পর্তুগিজ সমর্থকদের কাছে ফুটবল শুধু খেলা নয়, সেটি তাদের সংস্কৃতির স্বাক্ষর। স্পোর্টস শপগুলোতে অফিশিয়াল জার্সির চাহিদা এখন তুঙ্গে আছে। বিশেষ করে সিআর সেভেন জার্সির জন্য বিক্রয় অত্যধিক উত্থান লাভ করেছে। মাঠের আগে থেকেই পর্যটকরা খাবার ও পানীয়ের সাথে খেলা দেখতে রেস্তোরাঁগুলোতে টেবিল বুক করে রেখেছেন।
“বিশ্বকাপ এলেই লিসবনের চেহারা বদলে যায়। এবার উন্মাদনা অন্য সময়ের চেয়ে আরও জোরে চলছে।” – পেড্রো রদ্রিগেজ, লিসবনের এক ক্যাফে মালিক
সোশ্যাল মিডিয়ায় টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে শুরু করে ফেসবুক পর্যন্ত পর্তুগিজ নেটিজেনদের ওয়ালে শুধুমাত্র সেলেসাওদের জয়ের গান ছড়িয়ে পড়েছে। এখন সমস্ত আলোচনা কোচের কোন পজিশনে খেলা হবে এবং দলের রণনীতি কেমন হবে তা নিয়ে চলছে। এই উৎসবে তরুণ থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবার কণ্ঠে একটাই স্লোগান চলছে: “ফরসা পর্তুগাল”!
বর্তমানে পর্তুগালের তারকারা সমর্থকদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চলছেন পরীক্ষা করতে। তারা মাঠে প্রদর্শন করতে পারবেন কতটা পারফরম্যান্স তুলে দেবেন তা দেখা যাবে।
