নর্থ কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে সাউথ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের কারাদণ্ড
আদালতের সিদ্ধান্ত এবং অভিযোগের বিস্তার
নর থ ক র য় য় ড – নর থ ক র য় য় ড – শুক্রবার সিউল সেন্ট্রাল জেলা আদালত নর্থ কোরিয়ায় সামরিক ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে ইউন সুক-ইওলকে ৩০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। অভিযুক্ত প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদ্রোহ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বার্তা সংস্থা এএফপি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ড্রোন অভিযানটি সামরিক শাসন ঘোষণার জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী ড্রোনগুলো ছিল নর্থ কোরিয়ার ভূখণ্ডে প্রচারপত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
ড্রোন অভিযানের সংকট বাড়ানো এবং রাষ্ট্রদ্রোহ অভিযোগ
২০২৪ সালের অক্টোবরে পরিচালিত ড্রোন অভিযানটি কোরীয় উপদ্বীপে সামরিক উত্তেজনার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছিল। নর্থ কোরিয়া দাবি করেন যে ড্রোন পাঠানো ছিল তাদের দেশে প্রচার করার জন্য এবং প্রতিরোধের চাপ বাড়ানোর প্রচেষ্টা ছিল। ড্রোনগুলো সামরিক পরিস্থিতি গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সংগঠিত হয়েছিল এবং সাউথ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি সামরিক শাসন ঘোষণার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহ অভিযোগে জড়িত ছিলেন। বিশেষ প্রসিকিউটররা দাবি করেছেন যে এই অভিযানটি জাতীয় পরিষদের কার্যক্রম বাধা দেওয়ার চেষ্টা ছিল এবং অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত হয়েছিল।
নর থ ক র য় য় ড এর প্রসঙ্গে আদালতের রায় নির্ধারণ করেছে যে ড্রোন অভিযানটি সামরিক উপায়ে প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে যে কোরিয়ার উপদ্বীপে সামরিক ক্ষমতার চাপ বৃদ্ধি করে সেনা নেতৃত্বের মাঝে আরও উত্তেজনা জন্ম দেয়া হয়েছিল। এই কার্যকলাপটি নর্থ কোরিয়া এবং সাউথ কোরিয়া মধ্যে সম্পর্কের আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল।
২০২৪ সালের অক্টোবরে পরিচালিত ড্রোন অভিযানটি নর্থ কোরিয়ার ভূখণ্ডে প্রচারপত্র ছড়িয়ে দেওয়া ছিল। এই অভিযানটি সামরিক পরিস্থিতি গড়ে তোলার জন্য ছিল এবং সাউথ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি সামরিক শাসন ঘোষণার সময় প্রতিক্রিয়া দেয়ার জন্য কাজ করেছিলেন।
বর্তমানে কারাগারে থাকা ইউন সুক-ইওল রাষ্ট্রদ্রোহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। তিনি দাবি করেন যে এই পদক্ষেপটি দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য ছিল এবং সামরিক উত্তেজনার মধ্যে
