ইংলিশ মিডিয়াম কারিকুলামে ‘আর্থিক সাক্ষরতা’ কতটা জরুরি
বাংলাদেশে আর্থিক সাক্ষরতার প্রয়োজনিতা
ই ল শ ম ড য ম – বিশ্বের নতুন অর্থনৈতিক সংকট ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাবে। এই পরিস্থিতিতে যে কোনো শিক্ষার্থীকে সম্পূর্ণ জ্ঞান এবং মানসিক সচেতনতার সাথে আর্থিক সাক্ষরতা অর্জন করতে হবে। কারণ আমাদের দেশের লক্ষ্যগুলো বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্তরে তুলে নিয়ে আসা প্রয়োজন। চলমান পরিবর্তনের মুখে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা যে প্রতিটি স্তর পরিবর্তনের পাশাপাশি একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রক্রিয়া তৈরি করছে।
বিশেষ করে ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষার প্রভাব এখন পূর্বে কেবল বৈশিষ্ট্যপূর্ণ শ্রেণিকে আবেষ্টন করে না, বরং সামাজিক ও ব্যবস্থাগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি করছে। দেশের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীদের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির সাথে এই স্কুলগুলো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করছে। যদিও এটি আগে ব্যয়বহুল ছিল, তবু গুণগত মান এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে এখন আর্থিক সাক্ষরতা বিষয়টি প্রাচুর্য পেয়েছে।
এই দুর্দান্ত পরিবর্তনের সাক্ষ্য দেখাচ্ছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত এক দশকে ইংরেজি মিডিয়াম শিক্ষার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। প্রায় ১৯ হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মূলত বাংলা মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেখা গেছে, তবু ইংরেজি মাধ্যমের প্রসার স্থানান্তরিত হয়েছে। দেশের প্রায় ১৬৮টি স্কুলের মধ্যে ১২৭টি ঢাকায় অবস্থিত কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তনের সংকেত দিয়েছে।
কারিকুলামে আর্থিক সাক্ষরতার অভাব
বর্তমানে ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা প্রধানত ক্যামব্রিজ অ্যাসেসমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন বা পিয়ারসন এডেক্সেল কারিকুলাম অনুসরণ করে। উচ্চতর শিক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে গণিত, ইংরেজি সাহিত্য ও ভাষা, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন অধ্যয়ন করা হলেও অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষার জন্য কিশোরদ
