বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নেতৃত্ব কে আসছে: আরমান-মুক্তি নাকি শিবা শানু-জয়?
শ ল প সম ত র ন – বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনটি ঘিরে এফডিসিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই মেয়াদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদগুলি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও মত আলোচনার জন্য সক্রিয় হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) ছিল নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রচারণা দিন। সকালে থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া পর্যন্ত চলচ্চিত্রাঙ্গনে নিয়মিত আলোচনা ও প্রচার চালানো হয়েছে। দুপুরে বিএফডিসিতে শিবা শানু-জয় চৌধুরী পরিষদ তাদের প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান করে। এই অনুষ্ঠানে শিবা শানু ঘোষণা করেন যে দেশীয় শিল্পীদের কাজে সুযোগ সৃষ্টির জন্য যৌথ প্রযোজনা চালু করতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
“আমরা অতীতে শিল্পীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই।”
অন্যদিকে রাজধানীর লেডিস ক্লাবে আরমান-মুক্তি পরিষদের প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিনেত্রী আনোয়ারা উপস্থিত ছিলেন এবং ভোটারদের আহ্বান জানান করেন যে প্যানেলটি বিজয়ী হলে চলচ্চিত্র ও শিল্পীদের কল্যাণে কাজ করতে পারবে।
এই বারের নির্বাচনে দুই প্যানেল মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দাঁড়ায়। আরমান ফাইট ডিরেক্টর ও রুমানা ইসলাম মুক্তি যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছেন। সহ-সভাপতি পদগুলি নূতন ও ইলিয়াস কোবরার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী শিবা শানুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে অংশ গ্রহণ করছেন। বিএফডিসিতে শিল্পীদের মধ্যে অভিজ্ঞ এবং নবীন ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেল প্রচারণায় প্রবল হাজির ছিল।
তবে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজের সরে দাঁড়ানো নিয়ে একটি বড় আলোচনা চালানো হয়। তিনি শুরুতে সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন কিন্তু শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এ সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্টদের মতে নির্বাচনের সমীকরণকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
সমস্ত প্রস্তুতি শেষ হয়ে গেলে এখন ভোট গণনার অপেক্ষা শুধু রয়েছে। শিল্পীদের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দুই বছরের নেতৃত্ব কে হাতে পড়ছে তা এই ভোটের ফলে নির্ণয় হবে।
