হামজা দেওয়ান চৌধুরী বাংলাদেশ ফুটবলে তিন বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন
ত ন ব ভ গ প রস – তিন বিভাগে পুরস্কার পেয়ে হামজা চৌধুরী বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডে এক নতুন যুগের আবির্ভাব ঘটিয়েছেন। এই ক্রীড়াবিদ ইংল্যান্ডে অবস্থিত মিডফিল্ডারের আগমনে বাংলাদেশ ফুটবলে এক নতুন উত্সাহের জন্ম হয়েছিল। তিনি জাতীয় দলের জার্সিতে প্রতিযোগিতা জারি করার জন্য তিন বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন, যা তাকে বছরটির সর্বোচ্চ ক্রীড়াবিদ হিসেবে পুরস্কৃত করেছিল।
হামজা চৌধুরী: অনন্য অবদানের প্রতিক
আইনুল ইসলাম ও ঋতুপর্ণা চাকমাকে পেছনে ফেলে হামজা দেওয়ান চৌধুরী বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জয় করেন। তিনি অনন্য অবদানের জন্য বর্ষসেরা ফুটবলার হিসেবে বিজয়ী হন এবং ক্রীড়ামোদীদের ভোটে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। এই সাফল্য তার কর্মসূচি ও দলের প্রতি সম্মান করে নতুন ক্রীড়ামোদীদের মনোনয়নে অবদান অর্জন করেছেন।
‘তিন বিভাগে পুরস্কার পেয়ে আমি খুবই গর্বিত। বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড দেশের ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার। আমি আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ ও বন্ধুদের এবং ফ্যানদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি, সারা বছর ধরে আমাকে ও জাতীয় দলকে সমর্থন করার জন্য।’
বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার বিতরণ
বিএসপিএ এবার সর্বমোট ১৬টি বিভাগে বর্তমান ও সাবেক ক্রীড়াবিদ, সংগঠন এবং সংস্থাকে পুরস্কার প্রদান করে। তিন বিভাগে পুরস্কার পেয়ে হামজা চৌধুরী বাংলাদেশ ফুটবলের ইতিহাসে একটি স্থান অর্জন করেছেন। এই আয়োজনে ফুটবলে বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হামজা চৌধুরী, নারী ফুটবলে ঋতুপর্ণা চাকমা এবং হকিতে আমিরুল ইসলাম সর্বোচ্চ স্বীকৃতি পেয়েছেন।
এই তিন বিভাগে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্রীড়া শিক্ষার গুরুত্ব প্রকাশ করা হয়েছে। তিন বিভাগে পুরস্কার জয় করে ক্রীড়াবিদদের পরিচয় প্রসারিত করা হয়েছে, যেমন বর্ষসেরা আর্চার আব্দুর রহমান আলিফ ও টেবিল টেনিসে খই খই সাই মারমা এসব বিভাগে সম্মানিত হন। তিন বিভাগে পুরস্কার পেয়ে হামজা চৌধুরী একটি সম্মানজনক পরিচয় অর্জন করেছেন যেখানে তিনি নিজের জাতীয় দল এবং ক্রীড়া মোদীদের জন্য বেশি আবির্ভাব ঘটিয়েছেন।
তিন বিভাগে পুরস্কার
