বাতিল হচ্ছে ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্প, টোলে চলবে দ্রুতগতির গাড়ি
ব ত ল হচ ছ ঢ ক – সরকার ঢাকা-গাজীপুর বাস রাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ করে না থাকার কারণে তা বাতিল করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্প বাতিলের পাশাপাশি বাস ভিত্তিক দ্রুতগতির পরিবহনের মূল পরিকল্পনা থেকেও সরকার সরে আসছে। প্রকল্পের করিডোর এখন সাধারণ সড়কের মতো ব্যবহার করা হতে পারে এবং টোল আদায়ের ব্যবস্থা চালু করা হতে পারে বলে সূত্রে জানা গেছে।
প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে যদিও প্রকল্পটির ৩ শতাংশ কাজ এখনো বাকি আছে। সরকার বিআরটি প্রকল্পের ঠিকাদার কাজ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর বাকি কাজ শেষ করতে আরও ৩ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হলেও তা নাকচ করে পরিকল্পনা কমিশন। প্রকল্পটি পরিচালনা ও ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করেছিল ভারতের সিইপিটি ইউনিভার্সিটি এবং বুয়েটের ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসালটেশন। তারা পরে প্রকল্প থেকে সরে আসে।
বিআরটি করিডোরে নকশাগত ত্রুটির জন্য সরকার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এবং পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের দায়ী করে জবাবদিহির আওতায় আনার সুপারিশ করেছে রিভিউ কমিটি। প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৩৮ কোটি টাকা কিন্তু বাস্তবে ব্যয় বাড়িয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার কোটি খরচ হয়েছে।
বাতিল প্রকল্পের বিষয়ে প্রস্তাব
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিআরটি প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। একনেকের অনুমোদনের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
শামসুল হক বলেন, ‘বিআরটি প্রকল্প নিয়ে আর সামনে এগোনো উচিত হবে না। আগে অডিট করে দেখতে হবে চুক্তি অনুযায়ী কতটুকু কাজ বাকি আছে। এরপর চুক্তি থেকে বের হয়ে এসে করিডোরটিকে নতুনভাবে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে।’
বিআরটি করিডোর এখন টোলভিত্তিক উচ্চগতির সড়কে রূপান্তরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পরামর্শক হিসেবে যুক্ত ছিলেন যোগাযোগবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পের বিলম্ব, পরিকল্পনার ত্রুটি ও ভবিষ্যৎ করণীয় �
