চতুর্থ ‘উইমেন ইন আর্ট’ সম্মানে নারী শিল্পী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পথপ্রদর্শকদের
ন র শ ল প ও স – নারী শিল্পী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পথপ্রদর্শকদের সম্মানে ঢাকা আমেরিকান উইমেন’স ক্লাব (ডিএডব্লিউসি) আয়োজিত চতুর্থ বারের ‘উইমেন ইন আর্ট’ ফান্ডরেইজার অনুষ্ঠান গত মঙ্গলবার (১৯ মে) গুলশান ক্লাবের ক্রিস্টাল প্যালেস হলে সফলতার সাথে অনুষ্ঠিত হয়। উদ্যোগটি নারী শিল্পীদের কাজ প্রদর্শনের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এমন কনক চাঁপা চাকমা এবং রোকেয়া সুলতানাকে সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যে মায়া উপস্থাপনা করে।
নারী শিল্পীদের বৈচিত্র্য ও সৃজনশীলতা
অনুষ্ঠানের সংগ্রহটি নারী শিল্পীদের কাজের মর্যাদা ও সৃজনশীলতাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে। এ সংগ্রহে রুমানা হাবিবের কিউরেশনে প্রদর্শন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সমকালীন শিল্পচর্চার নারী শিল্পীদের বিস্তার ও সম্প্রসারণ প্রকাশ পায়। অনুষ্ঠানটি নারী শিল্পী সম্মান করার সাথে সাথে তাদের প্রভাবের প্রমাণ প্রদর্শন করে।
প্যানেল আলোচনা ও সহযোগিতা
অনুষ্ঠানে নারী শিল্পীদের প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার সাথে প্রতিষ্ঠাতা সহ আয়োজন করা হয়। এ বছর চতুর্থবার আয়োজিত প্রতিষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন বৃহত্ত আর্ট ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নুসরাত মাহমুদ এবং ব্রিটো আর্টস ট্রাস্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি তাইয়েবা বেগম লিপি। তার কাজগুলো গুগেনহাইম মিউজিয়াম সহ বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়েছে।
অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের তালিকা অনুসারে নারী শিল্পীদের কৃতিত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে। এ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছে নারী শিল্পী আফরোজা আখতারী, আইদা কাদের, আলিয়া কামাল এবং অপরাজিতা রহমান। বিশেষ ধারণা দিয়ে সৃজনশীল কাজ প্রদর্শনে উপস্থিত রয়েছে আসমা আকবর, আজিজি ফাওমি খান এবং ফারিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাদের প্রভাব নারী শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দেখা যায়। চতুর্থ বারের মতো উইমেন ইন আর্ট বিশ্বাস করে যে নারী শিল্পীদের কাজগুলো পরিচিত হতে এবং তাদের সম্মান জানানো দরকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন রেহানা ইয়াসমিন এবং রূপশ্রী হাজং।
ফাউন্ডেশন এবং ট্রাস্টের সাহায্যে উইমেন ইন আর্ট প্রতিষ্ঠাতাদের কাজগুলো একত্রিত করে দেখানো হয়। নারী শিল্পী কর্মীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বাস করে যে নারী শিল্পীদের প্রতিষ্ঠানে স্থান দেওয়া বাংলাদেশ
