ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শত কিলোমিটার জুড়ে ভোগান্তি
ঢ ক ট ঙ গ ইল মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি দেখা দিয়েছে যা সমস্যার মূল কারণ হিসেবে উঠে আসছে। সড়কটি ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত সংযুক্ত করে মাসিক পরিবহন কাজে ভূমিকা রাখে, কিন্তু এখন এটি যাত্রীদের আরও বেশি ভোগান্তি ঘটাচ্ছে। এই সমস্যার কারণে ঈদ উদযাপনে আসা কাজ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এ কারণে নারী, শিশু এবং বৃদ্ধদের দুর্দশা অবর্ণনীয় হয়ে উঠেছে। যানবাহনের গুঞ্জন এবং মুখ্য পথে প্রবেশের দৌরাত্ম্য যমুনা সেতু পর্যন্ত চালু রয়েছে এবং এটি সাধারণ না হলে পরিবার থেকে অভিযোগ শোনা গেল।
যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি ও দুর্ঘটনা
মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে ঢ ক ট ঙ গ ইল মহাসড়কে জামানত ছিল। সড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ এবং বৃষ্টির কারণে অবস্থা আরও মারাত্মক হয়ে গেছে। সেতু পার হতে সময় কমে না গেলেও ঢ ক ট ঙ গ ইল সড়কটি পরিবারের সাথে এবং ব্যবসায়িক প্রয়োজনীয় যানবাহনের জন্য ব্যাহত হয়ে রয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, এই ভোগান্তির প্রধান কারণ হল যমুনা সেতুর উপর একসাথে যানবাহন চলাচল। তিনি বলেন, এটি মাত্র একটি প্রতিবন্ধক বা দুর্ঘটনার জন্য যথেষ্ট সময় নেয়।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় সড়কের প্রায় ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন চলাচল করেছে। যান চাপের কারণে ঢ ক ট ঙ গ ইল মহাসড়কে যান চলাচল আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার জন্য কর্মকর্তারা সংগ্রহ করছেন সংখ্যাগুলো এবং দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রতিবন্ধকতা আরও বেশি হয়ে গেছে।
গাজীপুর এবং সাভার অঞ্চল থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত যানবাহনের সংখ্যা স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন। তিনি জানান, ঢ ক ট ঙ গ ইল সড়কে সামান্য বৃষ্টি এবং যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে যান চলাচল কমে আসার আশা রয়েছে। এই পরিস্থিতি সমাপ্ত হতে বেশি সময় লাগবে।
টাঙ্গাইলের পুলিশের প্রতিক্রিয়া
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম জানায়, ঢ ক ট ঙ গ ইল মহাসড়ক পার হতে সমস্যার মূল কারণ হল যানবাহনের প্রবেশ। তিনি বলেন, সেতু পার হওয়ার সময় স
