মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
ম র ক ন ব ম নঘ – মার্কিন বিমানঘাঁটি আব্বাসের সামরিক স্থাপনায় অতর্কিত হামলা চালায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে যে, মার্কিন বাহিনী ও বাণিজ্যিক নৌ চলাচলের হুমকি সৃষ্টি করছে। রয়টার্স সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। মার্কিন বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে আইআরজিসি ঘোষণা করেছে এবং আক্রমণের পর তাদের প্রতিক্রিয়া হিসাবে মার্কিন বাহিনী কোনও আক্রমণের প্রতি আরও কঠোর প্রতিশোধ গ্রহণ করবে এটি ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন বিমানঘাঁটির স্থান বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে আইআরজিসি প্রকাশ করেনি কিন্তু এটি প্রাথমিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কারণ এটি মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার বৃহৎ সামরিক উপস্থিতির কেন্দ্র।
হামলার পরিস্থিতি এবং প্রতিক্রিয়া
মার্কিন বিমানঘাঁটি আব্বাসে সামরিক বিস্ফোটক ও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আক্রমণ সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে রয়টার্স। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মার্কিন বিমানঘাঁটি প্রায় দুই দশক ধরে আইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ক্ষেত্রে বিপক্ষে অবস্থিত। মার্কিন বিমানঘাঁটির স্থান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি কিন্তু হামলার স্বরূপ ও আকার আইআরজিসি প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। মার্কিন বিমানঘাঁটির সংস্থাপনা এখনও সংকট কাটাকাটি করছে এবং তার ক্ষতিগ্রস্থ অংশে আমেরিকান বাহিনী পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে।
হামলার ঘটনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে মার্কিন বিমানঘাঁটির স্থান প্রকাশ করা হয়নি কিন্তু তাসনিম মাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি ঘোষণা করেছে যে, মার্কিন বাহিনী হামলার জন্য প্রতিশোধ চাই। মার্কিন বিমানঘাঁটির আক্রমণ প্রতি আইআরজিসি আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং এই হামলা একটি সামরিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে। মার্কিন বিমানঘাঁটির সামরিক প্রতিরোধ এবং এতে প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সম্প্রতি কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি কিন্তু এটি মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সামরিক ক্ষমতার প্রতি আগ্রাসন হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।
মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং আইআরজিসির সম্পর্ক চালু হয়েছে
মার্কিন বিমানঘাঁটি আব্বাসে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঘটানোর প্রতিক্রিয়া হিসাবে একটি সামরিক প্রতিরোধ সম্পর্কে আইআরজিসি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মার্কিন বিমানঘাঁটির প্রতি আইআরজিসি সামরিক প্রতিশোধের প্রস্তাব দিয়েছে যেহেতু আইআরজিসি বিশ্বাস করে মার্কিন বাহিনী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসাবে আইআরজিসি কার্যক্রম একটি কঠোর হামলা চালাবে। মার্কিন বিমানঘাঁটির স্থান নির্দিষ্ট হওয়া পর্যন্ত হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি কিন্তু আইআরজিসি এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে বিশ্বাস করে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘটনা।
মার্কিন বিমানঘাঁটির আক্রমণ ঘটানোর পর তাসনিম মাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়
