আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম মৃত্যু ঘটেছে
আওয় ম ল গ র স ব – আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. দবিরুল ইসলাম ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ৭৭ বছর বয়সে মৃত্যুর পরিণতি গ্রহণ করেন আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকালে। এই মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে তার বহু বছরের রাজনৈতিক কর্মজীবন সমাপ্ত হয়েছে।
জামিনে মুক্তি পেয়ে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন
২০২৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি দিনাজপুর জেলার কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। তখন থেকে তিনি আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে এক দেড় বছর কাটিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পরিণতি গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলামের ছেলে মাজাহারুল ইসলাম সুজন এখনও দিনাজপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনের সারাংশ এবং আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হিসেবে প্রতিষ্ঠা
১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন দবিরুল ইসলাম। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনৈতিক কর্মে প্রবৃদ্ধি পেয়েছিলেন। আগে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি থেকে তার রাজনৈতিক কর্মজীবনের হাতেখড়ি ছিল। তিনি ১৯৮৬ সালে সিপিবির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তিনি ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে সাতবার আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হিসেবে ক্ষমতার সঙ্গে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলামের রাজনৈতিক সাফল্যগুলো তার প্রাকৃতিক স্থান এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে নিয়ে এসেছিল। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাও ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশের প্রাথমিক মুক্তি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হিসেবে গ্রেফতার ও অসুখের কারণে মৃত্যু
২০২৪ সালের ২ অক্টোবর দিবাগত রাতে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলামকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া এলাকায় গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর থেকে তিনি তীব্র অসুস্থতার সম্মুখীন হন এবং দিনাজপুর জেলার কারাগার থেকে জামিন পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হিসেবে রাজনৈতিক কর্ম চালিয়ে যাওয়া শেষ হয়।
আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলামের জামিন প্রক্রিয়া অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। তিনি নিজের স্বাস্থ্য অবস্থার কারণে প্রথম বারের মতো বন্দি থাকার পর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন। বীর মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা নিয়ে তিনি প্রসিদ্ধ ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি হিসেবে তার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
