সড়ক বর্জ্য জমে থাকায় প্রধানমন্ত্রী দুই কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিয়েছেন
সড়ক বর জ য জম থ ক – ঢাকার সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে তদন্তে সম্মিলিত করেছেন। তিনি গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন সড়কে প্রদক্ষিণ করেন এবং কোরবানি পশুবর্জ্যের জমা হওয়া অবস্থা দেখেন। সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে প্রশাসনের দায়িত্ব অবহেলা করা হয়েছিল বলে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে
বরখাস্ত করা হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (জোন-৫) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান (উপ সচিব) এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (জোন-১) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির (উপসচিব)। প্রধানমন্ত্রী নিজে সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে প্রাকৃতিক দৃশ্য ভেঙে পড়েছিল বলে জানান।
“সড়ক বর্জ্য জমে থাকায় সার্বিক স্বাচ্ছন্দ্য কমে পড়েছে। আমি নিজে গাড়ি চালিয়ে সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাই।”
প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িতে সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে প্রক্রিয়া কী ভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা দেখেন। তিনি গুলশান এভিনিউ থেকে বেরিয়ে গুলশান-১ মোড় দিয়ে সাইন্স ল্যাবরেটরি পর্যন্ত যাত্রা করেছেন। সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে তদন্ত দেখানো হয়েছে।
বর্তমানে সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে নগর পরিবেশ কীভাবে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। সড়ক বর্জ্য জমে থাকার পরিস্থিতি কিভাবে সমাধান করা হবে সে বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।
এই ব্যবস্থা গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে আগের কার্যক্রমের গুণগত ত্রুটি কমানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সে বিষয়ে মন্ত্রিসভার সাথে বৈঠক করেছেন এবং নতুন প্রক্রিয়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
সড়ক বর্জ্য জমে থাকার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার কার্যক্ষমতা পরিদৃশ্যমান হয়েছিল। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অপসারণ কার্যক্রমে আরো ত্বরানুগত হবার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
