এক মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারী ভারত শেয়ারবাজার থেকে ৩৩ হাজার কোটি রুপি তুলে নিয়েছেন
এক ম স ভ রত র শ – প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক মাসে ভারতের শেয়ারবাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশাল পরিমাণে অর্থ সরিয়ে নিয়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত নিট বহিঃপ্রবাহ হয়েছে ১ লাখ কোটি টাকা, যা বিশ্লেষকদের মতে গত কয়েক মাসে দেখা স্থানান্তরের সর্বোচ্চ মাত্রা। এই দৌরাত্ম আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউজ অন এয়ার দ্বারা জানানো হয়েছে, যা এই প্রবাহের হ্রাসের চিহ্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সার্বিক বিনিয়োগ প্রবাহের হ্রাস
শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্থানান্তর বাজারের প্রবণতার পরিবর্তন প্রতিফলিত হয়েছে, যার ফলে অর্থ নিট বহিঃপ্রবাহ কমে গেছে। ডিপোজিটরি তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে ঋণবাজারে বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে, যেখানে গত মাসে বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছিল ১৮৭ কোটি টাকা। তবে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাসের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে প্রতিফলিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা হচ্ছে, গত কয়েক মাসে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি ভারত শেয়ারবাজারে স্থায়ী কম প্রবাহের চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ভারতের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা স্থানান্তর বাজারে দীর্ঘ সময় ধরে স্থানান্তর করেছেন। জানুয়ারিতে তাদের নিট বিক্রি হয়েছিল ৩৫ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা, ডিসেম্বরে ২২ হাজার ৬১১ কোটি টাকা এবং নভেম্বরে ৩ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা। ফেব্রুয়ারিতে পুনরায় বিনিয়োগ হয়েছিল মোট ২২ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা, যা গত ১৭ মাসের সর্বোচ্চ মাসিক প্রবাহ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল।
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং বিশ্লেষকদের প্রবাহ
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এই সময়ে ভারত শেয়ারবাজার থেকে মোট ৩৩ হাজার কোটি রুপি সরিয়ে নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। এই প্রবাহের পিছনে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণ হতে পারে। এই মাত্রার স্থানান্তর বাজারের প্রবণতার পরিবর্তনে প্রতিফলিত হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক ও সতর্কতার কারণ হতে পারে।
পূর্বে টানা তিন মাসে ভারত শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কমে আসছে। গত মাসে এফপিআই কর্তৃক শেয়ারবাজার থেকে নিট বিক্রি হয়েছে ৮৮ হাজার ১৮০ কোটি টাকা, যা বিশ্লেষকদের মতে বৈশ্বিক বাজার স্থিতিশীলতার বিপর্যয়ের প্রতিফলন হতে পারে। এই পরিস্থিতি ভারত শেয়ারবাজারে মূল্য হ্রাসের প্রবণতা বৃদ্ধ
