খাদ্য ব্যবস্থাপনায় নোংরা পরিবেশ: আদ-দ্বীন হাসপাতালকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
খ দ য ব যবস থ পন – খাদ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুতর অপরিচ্ছন্নতা লক্ষ্য করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত রোববার আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদেশ জারি করে। অভিযানটি বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছিল এবং হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় অপরিচ্ছন্নতার কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী মোট তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। খাদ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করে। এ জরিমানার পরিণতি হিসাবে কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে বলেন যে খাদ্য ব্যবস্থাপনার মান বৃদ্ধি করা জরূরী।
অভিযানের প্রক্রিয়া ও ঘটনা বিশ্লেষণ
অভিযানে আদালতের পক্ষ থেকে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও পুলিশ কর্মকর্তারা হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন। বিশেষ করে বেকারি থেকে আগে ভবনে প্রবেশ করেছিলেন যাতে পরিদর্শকদের কাজে কোনো বাধা হয় না। খাদ্য ব্যবস্থাপনার চেক লিস্টে ব্লাড ব্যাংক ছাড়া অন্য ওয়ার্ডে রেফ্রিজারেটর মিটার ছিল না। শুধু চেম্বারগুলোতে মিটার দেখা গেছে। পরিদর্শনের সময় অভিযানকারীদের সাথে সাংবাদিকদের প্রবেশে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাধা দেয়। তবে আইনি চালানের সময় প্রতিবাদ করার সুযোগ দেওয়া হয়। খাদ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনুসন্ধানে বিভিন্ন স্থানে সমালোচনার কারণ ছিল নিরাপদ খাদ্য আইনের অনুসারে আদালতের কাছে বিশেষ ভাবে প্রমাণ দেখানো হয়।
পরিদর্শনের প্রধান তথ্য ও ফলাফল
খাদ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী বিভিন্ন অপরিচ্ছন্নতা লক্ষ্য করা হয়েছিল। যেমন, খাবার জাতীয় পণ্যের লেবেলিং করা হয়নি এবং সেখানে গন্ধের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবস্থাপনার মান তুলে ধরা হয়। এই অপরিচ্ছন্নতা বিশেষ করে রোগীদের খাদ্য আইন অনুযায়ী ভোক্তা অধিকার বিপন্ন করেছিল। আদালত তদন্ন করে দেখেছেন যে হাসপাতালের কর্মকর্তারা খাদ্য ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া কম্পিউটারের সাহায্যে পরিচালনা করে না। যার ফলে বিভিন্ন খাদ্য সংগ্রহের স্থানে অপরিচ্ছন্নতা ছিল। অভিযানে খাদ্য ব্যবস্থাপনার মানের চেক লিস্ট নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি খাদ্য পণ্যের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শন করা হয়।
আদালতের নির্দেশে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খাদ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অর্থ তৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করে। মোট জরিমানা তিন লাখ টাকা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছিল যা বিভিন্ন খাদ
