নাগর নদী পথে পুশব্যাকের প্রস্তুতি বিএসএফের কাছে দেখা গেছে
ন গর নদ দ য় বহ ম – বাংলাদেশ সীমান্তে ক্রমাগত উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা প্রকাশ করার পর। বিএসএফ ঠাকুরগাঁও হরিপুর এবং পীরগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বহু বাংলাভাষীকে জোরে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এই অপারেশনের কারণে সীমান্তে বড় ধরনের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর শহরের পশ্চিমাংশে বিএসএফ একটি নতুন আটক কেন্দ্র গঠনের জন্য পরিচালনা করছে। পুর্বে এই এলাকায় থাকা গোয়ালপোখর থানার হেফাজতে নাম নেওয়া হয়েছে শিশু ও পুরুষদের গোষ্ঠী একটি বৃহৎ সংখ্যক বাংলাভাষী ব্যক্তিকে। সম্প্রতি নতুন ২৩-২৪ জনের একটি গ্রুপ ওপারে আনার প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের এই পরিকল্পনার কারণে নিয়মিত টহল ও নজরদারি গুরুতর করেছে ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ এলাকায়। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে যে আটক কেন্দ্র গড়ে উঠছে একটি পরিত্যক্ত রেলওয়ে গুদামঘরে যার ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত সুবিধাজনক।
নাগর নদী পার করার জন্য ওপারে অপেক্ষমাণ মানুষগুলোর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। বিশেষ করে গোয়ালপোখর থানার হেফাজতে থাকা বাংলাভাষীদের একটি ছোট গ্রুপ জোরে পার হওয়া আশঙ্কা রয়েছে। বিএসএফ তাদের অপরাহত করার জন্য কোনো সময়ে নদী পার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
স্থানীয় মহল মনে করছেন যে বিএসএফ সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুদের নাগর নদী পার করিয়ে মানবাধিকার কেলেঙ্কারী হিসেবে অনুপ্রবেশ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনা হতে পারে। সীমান্তে অবিশ্বাস এবং বিশ্বাস সংক্রান্ত যুদ্ধ চলছে।
আগামী জুন ৫ তারিখে পুশব্যাক পরিকল্পনা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে জোরে বহু বাংলাভাষীকে পাঠানোর জন্য ভারতের পুলিশ ও বিএসএফ একটি যৌথ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সাধারণ মানুষ এই কার্যকলাপে বিশেষ করে হরিপুর ও পীরগঞ্জ সীমান্তের উপর তীব্র আলোচনা চলছে।
