পাঁচ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দিল সিসিজিপি সভায়
প চ ক র গ এলএনজ – ২০২৬ সালের দুই দিনের সিসিজিপি সভায় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য পাঁচটি কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সাথে মোট ছয়টি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন প্রদান করে। বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভাপতিত্ব ও প্রস্তাব আবেদন
বৈঠকটি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভাপতি হিসেবে পরিচালনা করা হয়। অর্থমন্ত্রী স্বাক্ষরিত আলোচনার এজেন্ডায় পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এক মোট সাতটি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। এর মধ্যে পাঁচটি প্রস্তাব নিয়মিতভাবে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দুটি আলাদা প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থার আওতায় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ থেকে সরাসরি দুই কার্গো এলএনজি আমদানি করবে। ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে জেকেএম মার্কিন ডলার/এমএমবিটিইউ হিসেবে।
আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতি
আগামী জুনের শেষভাগ থেকে জুলাইয়ের শুরুর মধ্যে সরবরাহযোগ্য তিনটি কার্গো এলএনজি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে খাল উন্নয়ন, খাল লাইনিং এবং ঘাট পথ নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এ কাজের জন্য মনিকো লিমিটেড ক্রয় দরপত্রে নির্বাচিত হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। নীলফামারী জেলায় ২৬টি স্কুল ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র গঠনে বিডিই লিমিটেড ও ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রাইভেট) লিমিটেড যৌথভাবে কাজ করবে। ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
হবিগঞ্জ জেলায় ২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম আশ্রয়কেন্দ্র গঠনে ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ও এম/এস মমিনুল হক একত্রে অংশগ্রহণ করবে। এ প্রকল্পের ব্যয় হবে ২৩৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ (আরএফকিউ-ইন্টারন্যাশনাল) পদ্ধতির মাধ্যমে এসব কাজে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
