‘সঙ্গী হারানোর দুঃখ’ নিয়ে মারজান সাতরাপি মৃত্যুবরণ করেন
বিশ্বের নানা প্রান্তে শিল্পী ও সাহিত্যিকদের সংবাদমাধ্যম শোক প্রকাশ করে
সঙ গ হ র ন র দ – আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা ইরানি-ফরাসি কার্টুনিস্ট, লেখক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা মারজান সাতরাপি স্বামী ম্যাথিয়াস রিপারের মৃত্যুর এক বছরের বেশি সময় পর দুঃখে ভেঙে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জীবনে এই ঘটনার প্রতি বিশ্বের নানা কোনো ক্ষেত্রে শিল্পী, সাহিত্যিক এবং চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব শোক প্রকাশ করে।
তাঁর সৃষ্ট চলচ্চিত্র ও গ্রাফিক নভেল ‘পার্সেপোলিস’ তার ইরানে কাটানো শৈশব ও ইসলামি বিপ্লব পরবর্তী সময়ের চিত্র তুলে ধরেছিল। এই কাজটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিল এবং তাকে আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি অঙ্গনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছায়।
তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, “কারণ আমি আমার জীবনের ভালোবাসাকে হারিয়েছি।”
মারজান সাতরাপি একটি অস্ট্রিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের জন্য ইরান থেকে প্রস্থান করেন। পরে ইরানে ফিরে পড়াশোনা সম্পন্ন করলেও শেষ পর্যন্ত ১৯৯৪ সালে ফ্রান্সে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তাঁর সৃষ্ট কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে এমভ্রয়ডারিস এবং চিকেন উইথ প্লামস।
ফরাসি প্রেসিডেন্সি সাতরাপির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে। তাঁকে “ফরাসি সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব” এবং “স্বাধীনতার প্রতি নিবেদিত শিল্পী” হিসেবে উল্লেখ করে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং তাঁর স্ত্রী শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি ইরানে কাটানো জীবনের শৈশব শিল্পে রূপ দিয়েছিলেন, যা একটি সার্বজনীন মানবিক গল্পে পরিণত হয়েছিল।
তিনি ১৯৬৯ সালের ২২ নভেম্বর ইরানের রাশত শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ইসলামি বিপ্লবের পর তাঁর পরিবার তাকে অস্ট্রিয়ায় পাঠায়। কান ফিল্ম ফেস্টিভালে ২০০৭ সালে তাঁর ‘পার্সেপোলিস’ চলচ্চিত্র সমালোচকদের গ্রাঁ প্রি স্বীকৃতি পেয়েছিল। তার পর বছর এটি অস্কারে সেরা অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র বিভাগে মনোনয়নও পায়।
২০২৪ সালে তিনি ফ্রেঞ্চ একাডেমি অব ফাইন আর্টস–এর সদস্য নির্বাচিত হন। ফ্রান্সের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান গ্রহণের প্রস্তাব পেলেও তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর কারণ ছিল,
