জলবায়ু সংকট মানবজাতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী
জলব য স কট ম নবজ ত – জলবায়ু সংকট মানবজাতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুন শুক্রবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে উল্লেখ করেন। তিনি জানান যে এই সংকট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের তীব্রতা ও পরিবর্তনের অনুমান করা হয়েছে। মানবজাতির জীবন এবং আর্থিক গতিবিধির প্রতিটি খন্ড জলবায়ু সংকটের কারণে হারাচ্ছে এবং সামগ্রিক সমাধান অপরিহার্য হয়ে আসছে।
জলবায়ু সংকটের প্রকৃত পরিমাণ ও বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠ উচ্চতা বৃদ্ধি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড় এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় বিশ্ববাসীকে জলবায়ু সংকটের গুরুত্ব স্বীকার করতে বাধ্য করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে এই চ্যালেঞ্জের কারণে আর্থিক উপাদান থেকে বিপর্যয় পর্যন্ত সমস্যা জন্মাচ্ছে এবং সামগ্রিক প্রতিক্রিয়া অপরিহার্য।
বাংলাদেশ বৈশ্বিক পরিবেশ সংকটের সরাসরি সামনে আছে। দেশটি জলবায়ু সংকট মোকাবেলার জন্য পরিকল্পনা ও নীতি গৃহীত করেছে। বিশেষ করে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এবং সামুদ্রিক সম্পদের ভূমিকা কারণে এই সংকট অত্যন্ত গুরুতর। বিশ্বজুড়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জলবায়ু সংকট সম্পর্কে বিশ্বের সামনে একটি নতুন পরিস্থিতি আসছে।
সার্বিক পরিবর্তনের গুরুত্ব ও বাংলাদেশের স্থান
তিনি দাবি করেন যে জলবায়ু সংকট এখন বৈশ্বিক পরিবেশ সংকটের প্রকৃত পরিমাণ চিহ্নিত করছে। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ায় নিজেকে সক্রিয় অংশ হিসেবে দেখিয়েছে। বার্ষিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক অনুযায়ী দেশটি বিশ্বের শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের সূচকে এটি একটি অপরিহার্য আঁকড়া করছে।
জলবায়ু সংকট মানবজাতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে পরিচিত হওয়ার পরে বাংলাদেশ এই ক্ষেত্রে জাতীয় স্তরে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। দেশটি জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৈশ্বিক ক্রিয়াকলাপে অংশ গ্রহণ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে এই সমাধান দেশের অর্থনীতি, জনসংখ্যা এবং জীবন স্তর বাঁচানোর জন্য নিতান্ত প্রয়োজন।
বাংলাদেশের সমুদ্রী অঞ্চলগুলি বিশেষ করে বৃষ্টিপাত এবং জলোচ্ছ্বাসের প্রতি বেশ সংবেদনশীল। প্রধানমন্ত্রী জানান যে জলবায়ু সংকট এখন বাংলাদেশের স্থায়ি প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করতে বাধ্য করছে। দেশটি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর জন্য নীতি প্রণীত করছে এবং জলবায়ু �
