যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা
পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটি শেষে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে
যম ন স ত ত ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায়ের পরিমাণ বিস্ময়কর হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটি শেষ হওয়ার পর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কারণে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সংক্রান্ত পরিস্থিতি যমুনা সেতুতেও প্রতিফলিত হয়েছে, যেটি দেশের প্রধান যোগাযোগ পথগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় প্রকৌশলী ও পরিচালনা কর্মকর্তা প্রতিদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত সেতু দিয়ে যানবাহনের সংখ্যা প্রায় এক লাখ বেশি হয়েছে। এটি দেখায় যে যমুনা সেতু বিভিন্ন অঞ্চলের পরিবহন ব্যবস্থা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।
টোল আদায় গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে
আজ শনিবার দুপুরে যমুনা সেতু সাইট অফিস থেকে প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন যে গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে পার হয়েছে ৪০ হাজার ৫৮০টি যানবাহন। সেতুতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ২৫০ টাকা। এটি যম ন স ত ত ২৪ ঘণ্টার সর্বাধিক টোল আদায়ের রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। প্রকৌশলী উদ্দিন বলেন, “এই পরিমাণ বিশেষ করে ছুটি শেষে গুরুত্বপূর্ণ সংক্রমণ সৃষ্টি করেছে যেহেতু সেতু একটি প্রধান যোগাযোগ পথ।”
টোল আদায় হারে বৃদ্ধির কারণে এই সংখ্যা চূড়ান্ত পরিস্থিতি হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। এ বিষয়ে নিউজ রিপোর্টে বলা হয়েছে যে যম ন স ত ত ২৪ ঘণ্টার সর্বাধিক টোল আদায় বিশেষ করে ছুটি শেষে বৃদ্ধির কারণ হল যানবাহনের চাপ যেটি প্রতিদিনের তুলনায় প্রায় এক লাখ বেশি হয়েছে। প্রতিদিন যমুনা সেতু দিয়ে যানবাহনের সংখ্যা কিন্তু অপর দিকে টোল আদায় হারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
যমুনা সেতু দেশের অর্থনৈতিক ও পরিবহন ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এটি ঢাকা মুখী দিকে যানবাহনের সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার ১৩২টি হয়েছে। এই দৈর্ঘ্যের সড়ক দেশের প্রান্তগুলি যুক্ত করছে এবং বিশেষ করে যম ন স ত ত ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় হার বৃদ্ধির জন্য ক্রমাগত গুরুত্ব পেয়েছে। এ সংক্রান্ত পরিস্থিতি আগামী দিনগুলিতে অপর বৃদ্ধির আশংকা হচ্ছে।
যমুনা সেতু দেশের প্রধান যোগাযোগ পথগুলির একটি সংযোগ বিন্দু হিসেবে কাজ করছে। এটি বিশেষ করে যম ন স ত ত ২৪ ঘণ্টার ভিত্তিতে টোল আদায় বৃদ্ধির জন্য ক্রমাগত গুরুত্ব পেয়েছে। গত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এটি দেশের মোট যানবাহনের সংখ্যা প্রতিদিনের তুলনায় প্রায় ১৫ হাজার বেশি বহন করছে। এ বিষয়ে সাইট অফিস থেকে প্রকৌশলী কর্মকর্তারা বলেন যে সেতু দিয়ে যানবাহনের প্রবেশ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যেটি যম ন স
