৩৯ দেশের অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ আটকে দিল আদালত
৩৯ দ শ র অভ ব স – ৩৯ দেশের অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের একটি গুরুতর কর্মপরিবর্তন কর্মসূচি আদালতের মুখোমুখি হয়েছে। ফেডারেল আদালত ঘোষণা করেছে যে সরকারের এই নীতি আইনগত ক্ষমতার বাইরে গিয়েছে, যা উপস্থিতির মাধ্যমে অভিবাসীদের রাজনৈতিক আশ্রয়, গ্রিন কার্ড, ওয়ার্ক পারমিট এবং নাগরিকত্ব আবেদনের প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেয়া হয়েছে। এই কার্যকলাপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি বৃহৎ মানবাধিকার বিতর্ক তুলে ধরেছে এবং অভিবাসী কর্মসূচির নীতিগত ধরন সম্পর্কে আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া প্রাপ্ত হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্ত অভিবাসী কর্মপরিবর্তন কর্মসূচি আটকে দিয়ে সম্ভবত আইন মান্যতা করার জন্য দাবি করা হয়েছে।
ট্রাম্পের পদক্ষেপের সামগ্রিক বিবরণ
ট্রাম্প প্রশাসন দ্বারা প্রস্তাবিত পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সামগ্রিক ভাবে বিশেষ দেশগুলির অভিবাসীদের প্রবেশ করার ক্ষমতা সীমিত করা। আদালত এই প্রক্রিয়াকে আইনগত ভাবে বৈধ হিসাবে গণ্য করতে পারেনি কারণ এটি সরকার দ্বারা নির্ধারিত স্থায়ী নীতির উপর ভিত্তি করে প্রবর্তন করা হয়েছিল। বিশেষ করে, সম্প্রতি প্রকাশিত বিবৃতি অনুসারে, এই পদক্ষেপ বিশেষ দেশগুলির নাগরিকদের অভিবাসী হিসাবে প্রবেশ করার অনুমতি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এই কার্যকলাপ অনেকটা সম্প্রতি অনুমোদিত সরকারী প্রক্রিয়া ব্যবহার করে আইনগত সমাধান খুঁজছিল তবে আদালতের অবিলম্বে সিদ্ধান্তের ফলে সেটি এখন পর্যন্ত কার্যকর হতে পারেনি। সমালোচকদের মতে, এই নীতি মূলত আর্থিক ভাবে প্রভাব ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের প্রবেশ করার প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সম্ভবত কিছু দেশের অভিবাসীদের ক্ষমতা হ্রাস করা হয়েছে।
৩৯ দেশের অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ নিশ্চিত করেছিল যে এই দেশগুলির নাগরিকদের অভিবাসী হিসাবে প্রবেশের সম্ভাবনা নির্ধারণ করা হবে। সরকার দাবি করেছিল যে এই নীতি দ্বারা প্রবর্তন করা হয়েছে অভিবাসী কর্মসূচি চালানোর আইনগত প্রক্রিয়া। আদালত এই বিষয়ে নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে এই পদক্ষেপ দ্বারা সম্ভবত সংখ্যাগুলি কমিয়ে আনা হবে এবং স্থায়ী অভিবাসী প্রবেশ করার ক্ষেত্রে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সমস্যা ঘটতে পারে। সংবাদপত্রগুলি এই নীতির বিরুদ্ধে বিশেষ আন্দোলন ছড়িয়ে দিয়েছে যার ফলে এই বিষয়টি সম্প্রতি চারপাশে বিস্তৃত হয়েছে।
আদালতের বিচার এবং অর্থনৈতিক প্রতিবাদ
আদালতের বিচারে সরকার দাবি করেছিল যে এই পদক্ষেপ মূলত আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান জানানো হবে এবং অভিবাসী কর্মসূচির নীতিগত নির্দেশ ছিল। তবে
