বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে অপমানজনক পোস্টের সংখ্যা চার বছরে বেড়েছে দশগুণ
ব শ বক প খ ল য – বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে অপব্যবহার ও বিদ্বেষমূলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের সংখ্যা গত চার বছরে বেড়েছে দশগুণ। ফিফা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অপমানজনক কনটেন্টের সংখ্যা পূর্ববর্তী মান থেকে এক হাজার তিনশত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বিশ্বকাপে সংখ্যাগুণ হল ৮৯ হাজার, যা কাতারের বিশ্বকাপের সমান সময়ে ছিল ৬ হাজার ৭০০টি। বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে আপত্তিকর মন্তব্যের বৃদ্ধি দেখা গেছে, যা আস্ত ভাবে স্বাভাবিক হারের চেয়ে বেশি।
প্রতিবেশী বৃদ্ধির কারণ বিশ্লেষণ
ফিফা এই দুর্বলতা বিশ্লেষণের মাধ্যমে আকার নেয়। সংস্থাটি জানিয়েছে যে প্রায় এক হাজার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক পোস্টের বৃদ্ধি হয়েছে এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রতিযোগিতার মান কমিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে অপব্যবহার বৃদ্ধি হিসাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বকাপ খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে সংখ্যা দেখা গেছে যে স্বাভাবিক হারের চেয়ে বেশি।
ফিফা তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ পর্ব থেকেই শতাধিক ঘটনা শনাক্ত হয়েছে যেগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার মতো প্রমাণ রয়েছে।
আপত্তিকর পোস্ট চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোটেকশন সার্ভিস (এসএমপিএস) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে প্রথমে ২ লাখ ২৫ হাজার পোস্ট পর্যালোচনা করেছে। পরবর্তী পর্যায়ে মানবিক যাচাইবাছাইয়ের ফলে প্রায় ৮৯ হাজার পোস্ট অপমানজনক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশ্বকাপে অংশ গ্রহণকারী সব দল, খেলোয়াড়, কোচ ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দেয়া ও আইনি প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য এসএমপিএস সেবা চালু রয়েছে।
তথ্যমতে, এ ধরনের পোস্টগুলোর মধ্যে বর্ণবাদমূলক মন্তব্য ছিল ১১ শতাংশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৈষম্যমূলক কনটেন্ট থেকে সংশ্লিষ্টদের সুরক্ষা দেয়া প্রসঙ্গে সরাসরি কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। একটি স্পষ্ট পর্যায়ে বিশ্বকাপের খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে কনটেন্টের নিয়ন্ত্রণ প্রস্তুত করা হয়েছে, যেহেতু প্রতি ঘন্টায় গড়ে প্রায় ২৪০টি পোস্ট বিশ্বকাপের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে দেখা যায়।
বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে অপব্যবহারের সংখ্যা দেখা গেছে যে সংখ্যা ছিল ২০ লাখ ২৮ হাজার ২১৪টি, যা কাতার বিশ্বকাপের সমান সময়ে দেখা যায় ছাড়া দশগুণ বেশি। এ বৃদ্ধি স্বাভাবিক হারের চেয়ে বেশি হয়েছে, যার প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে বিশ্বকাপ একটি মানবিক প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে।
প্রতিরোধ ও পরিচালনা প্রক্রিয়া
বিশ্বকাপে খেল�
