আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাবেক ভিসির সাজা কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু
আব স ঈদ হত য ম মল – আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদের কারাদণ্ডের প্রক্রিয়া সম্প্রতি শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট এবং সামান্য আপিল কোর্টের মধ্যে বিচারপতি এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন যে তিনি আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দায়ী হিসেবে আসামী হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এই মামলায় সাবেক ভিসির নাম আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাথে যুক্ত করা হয়েছে যে তিনি এ ঘটনার প্রধান সুযোগ করেছেন। শুনানি সমাপন হওয়ার পর তাকে সাজা প্রদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসল ঘটনা ছিল ২০১৩ সালের জুলাই মাসে, যখন এ মামলা জোর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নেতা শহীদ আবু সাঈদের হত্যার সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
অপরাধ মামলার প্রাথমিক প্রক্রিয়া
আবু সাঈদ হত্যা মামলার শুরুতে তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে কার্যরত ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি শহীদ আবু সাঈদের হত্যার প্রধান দায়ী হিসেবে মামলায় আসামী হিসেবে গ্রহণ করা হয়। আবু সাঈদ হত্যা মামলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সুপ্রিম কোর্টে বিচার পর্বে সম্পন্ন হয়। এ মামলার অনুসন্ধানে আসামী হিসেবে তার প্রতিবেদন ছিল দায়ী হিসেবে সাজা প্রদানের পর কার্যকর করা হয়েছে। আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ড. হাসিবুর রশীদের মুখী হতে বিচারপতি ও আসামীদের প্রতিবেদন সম্পর্কে অনেক আলোচনা হয়েছে। আবু সাঈদ হত্যা মামলার প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি হত্যার ঘটনার সময় সাবেক ভিসি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাজার কার্যকর করা প্রক্রিয়া
আবু সাঈদ হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়াটি দুপুরে আসামীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এ ক্ষেত্রে আসামী হিসেবে ড. হাসিবুর রশীদ সাজা প্রদানের ক্ষেত্রে বিচারপতি ও সাক্ষ্যদাতাদের প্রতিবেদন প্রয়োগ করা হয়। আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাবেক ভিসি হিসেবে তার দায়িত্ব কার্যকর করা হয়। বিচারের সময় তার সম্পূর্ণ আসামী হিসেবে যথেষ্ট প্রমাণ প্রদান করা হয়। আবু সাঈদ হত্যা মামলার বিচার সমাপন হওয়ার পর তার সাজার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ মামলার সম্পর্কে বিচারপতি বলেছিলেন যে তিনি হত্যার ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রেখেছেন।
মামলার মূল প্রমাণ ও আসামীদের বিচার
আবু সাঈদ হত্যা মামলার সম্পূর্ণ প্রমাণ পরিপূর্ণ ছিল। সাবেক ভিসি হিসেবে তার আসামী হিসেবে এ মামলায় তিনি বিচার প্রদান করা হয়েছে। সাক্ষ্যদাতারা বিচারপতি কে প্রমাণ প্রদান করেছে যে তিনি হত্যার প্রধান দায়ী। আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাথে তার সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিচারের সময় তিনি কার্যকর হিসেবে বিচারপতি এর ক্ষেত্রে আসামী হিসেবে মামলার কার্যকর করা হয়। আবু সাঈদ হত্যা মামলার বিচারপতি তার কার্যকর সিদ্ধান্ত নেন। এ মামলার সম্পর্কে তিনি একটি প্রামাণ্য প্রমাণ প্রদান করেছেন।
