ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি
ক য ম প স ন র – জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি তুলে আন্দোলনে নেমেছেন। তারা এক ছাত্রের ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে এখন গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। রোববার ১৭ মে সকাল ১০টার দিকে ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দেয় এবং প্রক্টরিয়াল বডির প্রতি অভিযোগ তুলে ধরেন। ছাত্ররা বলেন, ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে তাদের সুরক্ষা বিপন্ন হয়েছে এবং প্রক্টরের পদত্যাগ ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে আরও সতর্ক করার দরকার রয়েছে। ছাত্ররা প্রতিবাদে আসেন যে ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্গতি সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়নি।
ছাত্র আন্দোলনের প্রকৃতি ও অভিযোগ
বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগে আন্দোলন চলছে। গত পাঁচ দিন ধরে ছাত্রদের প্রতিবাদ চালিয়ে আসছেন যারা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্গতি এবং ধর্ষণ ঘটনার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এ কারণে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি জানাচ্ছেন। তারা বলেন, ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে ছাত্রদের সুরক্ষা বিপন্ন হয়েছে এবং প্রশাসন তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। আন্দোলনের দ্বারা ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ঘাটতি দূর করার জন্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
এই আন্দোলন স্থান পেয়েছে যখন ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ঘাটতি সম্পর্কে ছাত্ররা তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। প্রশাসন বিষয়টি সমাধান করতে পারছে না এবং তার বিরুদ্ধে ছাত্রদের অভিযোগ মানববন্ধনে পরিণত হয়েছে। প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে ছাত্ররা জানিয়েছে যে ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ঘাটতি এখনও দূর হয়নি এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ছাত্ররা বলেন, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ঘাটতি দূর করার জন্য প্রক্টরিয়াল বডি একটি সংকটমূলক অবস্থার মুখে পড়েছে।
প্রশাসন ও অভিযুক্ত নিরাপত্তা ঘাটতির সম্পর্ক
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে তার মূল্য ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ছাত্ররা অভিযোগ করেছেন যে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্গতি তাদের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা ধ্বংস করেছে। এই ঘটনার পর থেকে তারা প্রক্টর ও তার প্রশাসনকে আরও বেশি তীব্র আক্রমণের সম্মুখীন হয়েছেন। অভিযুক্ত ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং তাদের জানান যে ক্যাম্পাস নিরাপত্তা বিষয়ে কোনও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি ছাত্রদের ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ঘাটতি নিবারণের দাবি হিসেবে গণ্য হয়। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে হুঁশিয়া
