মুক্তিযুদ্ধকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা উদ্বেগজনক
ম ক ত য দ ধক ভ – খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী রফিকুন নবী (রনবী) মনে করেন দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাগুলি ভাঙার ঘটনাগুলি শুধুমাত্র ধ্বংস নয়, বরং এটি ইতিহাস থেকে মুক্তিযুদ্ধ ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টার প্রমাণ। তিনি এ ধরনের প্রবণতা উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন।
২০২৫ সালের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিপদক প্রদান অনুষ্ঠানে রফিকুন নবী বলেন, মেহেরপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকায় ভাস্কর্য ও স্থাপনা ভাঙার চেষ্টা দেখা যায়। তিনি উল্লেখ করেন, এসব আবার তৈরি করা যাবে, কিন্তু যে কারণে ভাঙা হলো, সেটিই আমাদের ভাবিয়ে তোলে।
“মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব অভিজ্ঞতা তাদের প্রজন্মের কাছে আজও জীবন্ত। তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা তাকে আশাবাদী করে বলেও উল্লেখ করেছেন রফিকুন নবী।”
এ পদক দেওয়া হয় স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে বেঁচে থাকাকে দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে রফিকুন নবী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কখনো মুছে ফেলা সম্ভব নয়। তিনি যোগ করেন, আমাদের পক্ষে সেই স্মৃতি সরে যাওয়া সম্ভব নয়।
আয়োজন ও প্রতিবেদনের কাজ
১৮ মে বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে এ পদক দেওয়া হয়। এটি দৈনিক সংবাদের সম্পাদক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক বজলুর রহমানের স্মরণে প্রদান করা হয়। বজলুর রহমান ২০০৮ সালে আকস্মিক মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এই পদক প্রবর্তন করেন।
আজকের অনুষ্ঠানে নিয়মিত ভাবে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিভাগে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সেরা প্রতিবেদনের জন্য এ পদক দেওয়া হচ্ছে। এর আর্থিক মূল্য এক লাখ টাকা, সঙ্গে একটি ক্রেস্ট ও সনদ দেওয়া হয়। পুরস্কার পেয়েছেন ডেইলি স্টারের আহমাদ ইশতিয়াক, যমুনা টেলিভিশনের আহমেদ রেজা ও একাত্তর টেলিভিশনের পার্থ সনজয়।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও সদস্যসচিব মফিদুল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংবাদিকতার এ আয়োজন শুধু আনন্দ বা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের সামনে দায়বদ্ধতার এক গভীর প্রশ্ন তুলে ধরে।
“ইতিহাসের পতাকা এখন তরুণ
