ইকোনমিক চেঞ্জ রেভল্যুশন দিয়ে আনা যায় না: আব্দুল হাই সরকার
ইক নম ক চ ঞ জ র – বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখন তেমন একটি অবস্থায় আছে যেখানে সংকটের ব্যাখ্যা পরিসংখ্যান দিয়ে করা সম্ভব নয়। জিডিপি বৃদ্ধি, রিজার্ভ বা মূল্যস্ফীতির সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অর্থনীতির গভীর অস্বস্তি এখন আরও তীব্র হয়েছে। মানুষের আস্থা, উদ্যোক্তার সাহস এবং বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা হল অর্থনৈতিক গতির পিছনে সবচেয়ে বড় বাধা। আব্দুল হাই সরকারের বর্তমান বক্তব্য শুধু ব্যাংকারের মন্তব্য নয়; বরং শিল্প, ব্যাংকিং এবং বিনিয়োগের বাস্তব সমস্যার একটি প্রতিফলন।
বাজেটের অর্থায়ন সংকট
সরকারের বাজেট বহু বছর ধরে ঘাটতি পরিমাণে নির্ভর করে। প্রতিবছর ব্যয় তুলনায় রাজস্ব আয় কম হওয়ায় ঘাটতি পূরণ করতে হয় অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে। কিন্তু বর্তমানে বৈদেশিক ঋণপ্রাপ্তি সহজ নয়। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরোপ করছে সংকটময় শর্ত। আব্দুল হাই সরকার এটি “সহজ আয়” হিসেবে উল্লেখ করেন।
ট্রেজারি তো একটা সিকিউর ইনভেস্টমেন্ট। ১১ শতাংশ রিটার্ন পেলে ব্যাংক কেন বাইরে রিস্ক নিয়ে লোন দিতে যাবে? কিন্তু এটা দীর্ঘমেয়াদে ভালো না। কারণ তখন ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, মার্কেটে লিকুইডিটি কমে যায়, ব্যবসা সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হয়।
ব্যাংকগুলো ক্রমশ বেশি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করছে। এর ফলে অর্থনৈতিক গতি কমে গেছে। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয় না, পুরোনো উদ্যোক্তারা সম্প্রসারণে আগ্রহ হারাল। কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে।
শিল্প খাতের সংকট
আব্দুল হাই সরকার বলেন, “কোন ফ্যাক্টরি এমনি এমনি বন্ধ হয় না। যখন সে বছরের পর বছর লস দেয়, যখন ঠিকমতো গ্যাস পায় না, পাওয়ার পায় না, তখন বাধ্য হয়ে বন্ধ করতে হয়। এখন আবার টাকা ইনজেক্ট করার আগে দেখতে হবে ওই ফ্যাক্টরির ভবিষ্যৎ আছে কিনা।”
বর্তমানে বড় সংকট শুধু অর্থ নয়; বরং অবকাঠামো ও জ
