জিয়ার আহ্বান ছাড়া পাকিস্তান থাকত আজও, শেখ মুজিব প্রধানমন্ত্রী হতেন
আজ জিয়ার আহ্বান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা
জ য় র আহ ব ন ব – জিয়ার আহ্বানে বাঙালি সৈনিকদের বিদ্রোহের ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বীকৃত হয়েছিল। আজ সেই ঘটনার ৫৩ বছর পূর্তি হচ্ছে। জিয়ার আহ্বান ছাড়া পাকিস্তান আজও বিদ্যমান থাকত কিনা এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এর পরিণতি ছিল শেখ মুজিব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন বলে কথিত।
প্রশিক্ষণের মূল পর্যায়
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জিয়ার আহ্বান ছাড়া বাঙালি সৈনিকদের কাজের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে ক্যাডেট ছিলেন এবং জিয়া তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। এই সময় বাঙালি সৈনিকরা জিয়ার আহ্বানে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়া কমিশন বিদ্রোহের প্রাথমিক বিষয় হিসেবে দেখা যায়। তিনি জিয়ার আহ্বানে বাঙালি সৈনিকদের দেখেছিলেন কীভাবে তারা পাকিস্তানের বিদ্রোহে অংশ নেয়। এই বিদ্রোহের ফলে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়।
১৯৭১ সালে জিয়া দ্বারা আহ্বান পেয়ে বাঙালি সৈনিকদের বিদ্রোহের পথ আঁকা হয়। তিনি সিলেট জেলার বিদ্রোহে অংশ নেন। এই ঘটনার ফলে পাকিস্তান ছিল না বাংলাদেশ গঠিত হয়। জিয়ার আহ্বান ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ কতটা আরও বেশি সময় নিত তা নিয়ে অনুমান করা হয়।
অমর জিয়া ও মুক্তিবাহিনীর প্রতিক্রিয়া
জিয়া দ্বারা আহ্বানে পাকিস্তানের সৈনিকদের একাত্তরে বাঙালি সৈনিকদের বিদ্রোহ চালানো হয়। এই আহ্বান ছিল মুক্তিবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পর্ক গঠন করেন। বাঙালি সৈনিকরা তার আহ্বানে প্রতিক্রিয়া দিয়ে পাকিস্তান ছিল না বাংলাদেশ গঠিত হয়।
এই মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ফলপ্রসূ ঘটনা হল জিয়ার আহ্বান দ্বারা বাঙালি সৈনিকদের একত্রিত করে একটি সামরিক ব্রিগেড গঠন করা। তিনি তার প্রথম সামরিক ব্রিগেড হিসেবে জেড ফোর্স গঠন করেন। এই ব্রিগেড ছিল পাকিস্তান থাকত না বাংলাদেশ জন্ম নেওয়ার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষর।
