এক হাতে কলম অন্য হাতে ছাতা, বৃষ্টিতে পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীরা
এক হ ত কলম অন য হ – বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষার দিন আসার সাথে সাথে গুরুতর পরিস্থিতির কথা আসে। গলাচিপা উপজেলার কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের অবস্থা বিশেষ আকর্ষণীয়। এক হাতে কলম ধরে অন্য হাতে ছাতা ধরে পরীক্ষার হলে তারা ছাদ থেকে পড়া বৃষ্টির পানির কারণে সমাধান খুঁজছেন। এই চিত্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার পর বিস্মিত অনেক নেটিজেন তা নিয়ে আলোচনা করছেন। দুর্দান্ত বৃষ্টির কারণে ছাতা ব্যবহার করে কলমে লিখতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের কাজ পরীক্ষার খাতায় চলছে।
পরীক্ষা পরিচালনার অবস্থা কী কী?
বর্তমানে কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসার ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে রয়েছে। এই স্থানটি স্থাপন হয়েছিল ১৯২৭ সালে। তখন থেকে নতুন করে সংস্কার করা হয়নি। ফলে বৃষ্টির জল ছাদ থেকে পড়ছে এবং পরীক্ষার পরিচালনার সময় স্থানীয় শিক্ষার্থীদের বিপর্যয় ঘটছে। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের কাজ ক্ষুণ্ণ হয়ে আসছে। আলোচনা চলছে কিভাবে পরীক্ষার হলে আর কলম ও ছাতা ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব।
ছাতার সাথে কলম ধরে পরীক্ষার খাতায় লিখার প্রথা বিশেষ সামাজিক আলোচনার মূল হয়ে উঠেছে। সূত্রে জানা গেছে যে ছাতা ও কলম ব্যবহারের কারণে বৃষ্টিতে পরীক্ষা দেওয়া ক্ষমতার পরিসর বেড়েছে। সম্ভবত এই অবস্থার মধ্যে ছাতার সাথে কলম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করছেন। এই পরিস্থিতি দেখে পরীক্ষার হলে ছাতা ও কলমের অপরিহার্যতা প্রমাণিত হয়েছে।
নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। কিন্তু এই কাজের ধীরগতি আর কর্তৃপক্ষের হস্তান্তর প্রক্রিয়া এক হাতে কলম অন্য হাতে ছাতা ব্যবহার করে সম্পন্ন হচ্ছে নতুন ভবনটি অবিলম্বে পরীক্ষার হলে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হয়নি। ফলে দুর্ভোগ ক্রমান্বয়ে ছাতার সাথে কলম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতায় লিখছেন। এই পরিস্থিতি ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
ছাতার সাথে কলম ব্যবহারের প্রক্রিয়া
বৃষ্টির দিন পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ছাতা ও কলম ব্যবহার করে পরীক্ষার খাতায় লিখতে হচ্ছে। ছাতা ধরে কলম ধরে নোট লেখার সময় তাদের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। এই অবস্থায় শিক্ষার্থীরা বাইরে বসে পরীক্ষার হলে তাদের লেখার কাজ করছেন। ছাতার সাথে কলমের প্রয়োজন স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে চিন্তা চলছে।
আলোচনার পর বো
