এনজিওর ‘ফান্ড’ বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতা: হামের প্রকোপ ও সুশীল সমাজের নীরবতা
এনজ ওর ফ ন ড বন ম – এনজিওর ফান্ড বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার যুদ্ধ চলছে আমাদের দেশে এখনও অনেক দূর পর্যন্ত। গৃহীত সামাজিক উন্নয়ন ও জনসচেতনতা কাজে এনজিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে, কিন্তু বিশ্বের একটি স্বাধীন ও উন্নয়নশীল দেশে হামের প্রকোপ সম্পর্কে এত বিপুলসংখ্যক শিশু মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বিশেষ করে এনজিওর ফান্ড বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার সামনে তাদের বিশেষ দৃষ্টিশ্রদ্ধা কম হয়ে এসেছে।
হামের প্রকোপে কোনো জোর প্রতিক্রিয়া নেই
স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান সময়ে হামের কারণে দেশে প্রায় সোয়া ছয়শ শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। এটি কোনো গুরুতর মানবিক সংকটের প্রতিচ্ছবি দিচ্ছে, যেখানে সামাজিক জনসচেতনতা ও দায়বদ্ধতা অস্পষ্ট হয়ে এসেছে। যদিও এনজিওগুলো সামান্য বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারে, কিন্তু হামের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও তারা বিশেষ করে এনজিওর ফান্ড বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার সামনে কোনো একত্রিত কর্মকাণ্ড তৈরি করে নি। এটি একটি অপরিচ্ছন্ন অবস্থা যেখানে মানববন্ধন এবং মানুষের গৃহীত সমস্যা নেওয়া হয় না।
“শিশুদের মৃত্যু হওয়া যে একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজন, তার পরিপ্রেক্ষিতে এনজিওগুলো কোনো উদ্বেগ বা কর্মসূচি গ্রহণ করে নি।”
যারা কর্মকাণ্ডে মুখ খুলে থাকে এবং বিষয়ে আলোচনা করতে পারে, তারা এই সংকটে কোনো জোর প্রতিক্রিয়া তৈরি করে নি। আর এই নীরবতার কারণ হল এনজিওর ফান্ড বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার মূল সমস্যা কারণে তারা একটি সামাজিক জনসচেতনতা প্রকল্পের সামনে কম গুরুত্ব দিচ্ছে।
এনজিও কোনো মুখ খুলে আছে কেন?
বর্তমানে দেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অধিকাংশ করপোরেট ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার এজেন্ডার সামনে হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। এই নিরাময়যোগ্য রোগের সংকট সম্পর্কে এনজিওগুলো যখন এনজিওর ফান্ড বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে না, তখন দাতা সংস্থাগুলো নিজেদের উপর নির্ভর করে আসছে। তারা অর্থ বরাদ্দের সামনে বিশেষ করে এনজিওর ফান্ড বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রকাশ্য আলোচনা করছে না।
যারা সামান্য বিষয়গুলোতে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারে, সেই এনজিওগুলো বর্তমানে হামের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া তৈরি করে নি। বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশে এই পরিস্থিতিতে এনজিওর ফান্ড বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার অবস্থা কোনো সমাধান প্রস্তুত করে নি। কারণ এনজিওর ফান্ড বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রকাশ্য কার্যকলাপগুলোর মধ্যে অর্থ বরাদ্দ ও বিদেশি অনুদান সর্বোপরি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এনজিওগুলো বর্তমানে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সাথে সংযুক্ত �
