নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
ন য় খ ল ত জ ল – ন য় খ ল ত জ ল – নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি শনিবার (১৩ জুন) ভোর পৌনে পাঁচটায় ঘটেছে এবং কেদ্রীয় শহীদ মিনার ও ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি স্তম্ভের মধ্যে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ঘটেছে। এখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের নীচের অংশে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে স্মৃতিস্তম্ভের নীচের কিছু অংশ পুড়ে যায়। যুবকেরা আগুন দেখার পর ‘জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে-বাংলাদেশ হাসবে/শেখ হাসিনার স্মরণে-ভয় করিনা মরণে’ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে দিতে স্থান ছাড়িয়ে যায়। ঘটনাটি সুধারাম মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, কেউ তার আগে থানায় অবহিত করেনি। তিনি জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্মৃতিস্তম্ভের প্রাসঙ্গিকতা এবং বর্তমান অবস্থা
নোয়াখালী জেলায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান যার প্রাসঙ্গিকতা মুক্তিযুদ্ধ পর্বে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এটি একটি বৃহৎ স্মৃতিস্তম্ভ যা শহীদ যুবকদের মনোমুগ্ধ করে তোলে এবং তাদের স্মৃতি রক্ষা করে। যারা অনুষ্ঠানে সংগঠিত হয়েছিলেন তারা শেখ হাসিনা স্মৃতিস্তম্ভের পাশে অনুষ্ঠান করেছিলেন। এই ঘটনা নোয়াখালীতে কোনও মূল্যবান স্মৃতির প্রতি ভাবনা বিকৃত করে দেয়। এ বিষয়ে স্থানীয় মানুষের অপ্রতিহত আপত্তি হয়েছিল। কিছু আশঙ্কা রয়েছে যে কোনও ভাবে শেখ হাসিনা স্মৃতিস্তম্ভের ক্ষতি করা হয়েছে কিনা।
ঘটনার প্রকৃত সংঘটনা এবং যুবকদের কার্যকলাপ
ভোরে দুর্বৃত্তদের কার্যকলাপে নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে সংঘটিত হয়। আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর স্মৃতিস্তম্ভের নীচের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এটি স্মৃতির সংরক্ষণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল, কিন্তু আগুন দিয়ে এ ঘটনায় স্মৃতিস্তম্ভের কিছু অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। ঘটনার পর যুবকদের দুর্বৃত্তরা জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ প্রতি কোনও আপত্তি ছাড়া চলে যায়। তাদের স্বাধীনতার আশা আবারও তুলে ধরে স্বাধীনতার লক্ষ্য তুলে ধরে। এই ঘটনার মাধ্যমে কেদ্রীয় শহীদ মিনার ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ দুটি স্থান একত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নোয়াখালী জেলার মুক্তিযুদ্ধের শহী
