পুলিশি হেনস্তার সমাধান কখন ঘটবে?
প ল শ হ নস ত থ – বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের অফস্পিনার নাঈম হাসান কর্তৃক চট্টগ্রামে ঘটে যাওয়া পুলিশি মারধরের ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে। নাঈমের অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে তিনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। লালখান বাজার এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ গাড়ি গতি বন্ধ করে। তিনি অভিযোগ করেন যে পুলিশ কোনো পরিচয় না দিয়ে তাকে অটোরিকশা থেকে নামতে বলে এবং চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে নেয়। ঘটনার পর তাকে জোর করে অন্য একটি সিএনজিতে তোলার চেষ্টা করা হয়।
তদন্ত এবং প্রতিবাদ
নাঈম বলেন যে তার পরিচিতি দেওয়ার পরও পুলিশ তাকে হেনস্তা করে। তার চিৎকারে মানুষ জড়ো হয়ে ঘটনাস্থলে শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত হন। পরে অনেকে তাকে চিনে প্রতিবাদ জানায়। এর পর নাঈমের পরিবার মামলা দায়ের করে।
বাংলাদেশে পুলিশি হেনস্তার ঘটনা কয়েক বছরের মতো চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আচরণ, জবাবদিহি এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এ ঘটনা। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলেন যে পুলিশের পোশাক বা পদ পরিবর্তন যথেষ্ট নয়; প্রকৃত পরিবর্তন জনগণের আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে।
খুলশী পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজন উপপরিদর্শক এবং দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে দেয়। এই কার্যক্রমে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল রাসেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ঘটনার পর সিএমপি একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদন পাঁচ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ
নাঈম হাসানের ঘটনায় পুলিশের সোর্স মোহাম্মদ সোহেল আটক করা হয়। এ ঘটনার পর সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, ঘটনার তদন্ত গুরুত্ব সহ চলছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিটি পদক্ষেপ আইন ও নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন। যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ না হয়, তাহলে তাকে অপরাধীর মতো আচরণ করা আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী।
নাঈমের অভিযোগ অনুযায়ী, ইউনিফর্ম পরা দুই পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি সাদা পাঞ্জাবি পরা একজন ব্যক্তিও তাকে হেনস্তা করে। ঘটনার পর পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নাগরিকদের সম্মান হারানোর অভিযোগ অনেক ক্ষেত্রে ক্রমাগত বিদ্যমান। অধিকাংশ ঘটনা সামনে আসে না কারণ ভুক্তভোগীরা অভ
