বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি তদন্তে মমতা ব্যানার্জীর বাড়িতে তল্লাশি
ব ধ য়কদ র স ব ক – বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি তদন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের সংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করার পর মমতা ব্যানার্জীর কলকাতার বাসভবনে। এই তদন্ত করছে রাজ্যের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), যারা তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার অভিযোগে তল্লাশি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই বিষয়ে প্রকাশ করেছে যে বিধানসভার স্পিকারের কাছে পাঠানো একটি প্রস্তাবে বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। এই ঘটনার পর সিআইডি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।
তদন্তের প্রক্রিয়া ও অভিযোগ প্রসঙ্গ
তল্লাশি অভিযানটি বুধবার (১০ জুন) দুপুরে কালীঘাট থানার সদস্যদের সহযোগিতায় চালানো হয়েছিল। সূত্র বর্ণনা করেছে যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি বিষয়ে তদন্তের সময় বিধানসভার স্পিকারের কাছে পাঠানো প্রস্তাবে স্বাক্ষর দেওয়া হয়েছিল এবং এই প্রস্তাবটি বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছে। সিআইডি কর্মকর্তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া জবাবের ভিত্তিতে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছেন। তিনি জানিয়েছেন যে বিধায়কদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছিল দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। তার এই বক্তব্যের ভিত্তিতেই তদন্ত চালানো হচ্ছে।
তদন্তের প্রক্রিয়া ও ক্রম বিস্তার
সিআইডি তিনটি পৃথক দলে তল্লাশি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে একটি দল মমতার বাসভবনে, আরেকটি দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে এবং তৃতীয় দল অন্য স্থানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্ত চলছে বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি সম্পর্কে কোনও সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করার জন্য। এই তদন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিধানসভার স্পিকার অথবা অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রমাণ প্রদানের জন্য।
অভিযোগের প্রকৃতি ও তীব্রতা
বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি অভিযোগ অনুযায়ী প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের স্বাক্ষর নিয়ে যে বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল তা পরিষ্কার করার জন্য তদন্ত চলছে। কর্মকর্তারা বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি তদন্তে কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছেন। তৃণমূল কংগ্রেস কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট অভিযোগে বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছিল বিধানসভার স্পিকারের কাছে পাঠানো প্রস্তাবে। সেই প্রস্তাবে বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল করার কারণে বিধায়ক
