Uncategorized

মার্কিন এইচ-১বি ভিসার লাখ ডলারের ফি আইন বাতিল

মার্কিন এইচ-১বি ভিসার লাখ ডলারের ফি আইন বাতিল ম র ক ন এইচ ১ব ভ - আদালত বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এইচ-১বি ভিসার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের

Desk Uncategorized
Published June 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মার্কিন এইচ-১বি ভিসার লাখ ডলারের ফি আইন বাতিল

ম র ক ন এইচ ১ব ভ – আদালত বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এইচ-১বি ভিসার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত ১ লাখ ডলার ফি আরোপের নীতি। আদালত এটিকে কংগ্রেসের অনুমোদনবিহীন অবৈধ কর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও রয়টার্স প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই বিষয়ে বোস্টনের মার্কিন জেলা বিচারক লিও সোরোকিন রায়ে বলেন, ফি আরোপের কোনো আইনি ভিত্তি নেই এবং এটি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া কর আরোপের সমান।

২০ জন ডেমোক্র্যাটিক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল ট্রাম্প প্রশাসনের এই ফি চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেন। সেই মামলার ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেয়। এইচ-১বি কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর সর্বমোট ৬৫ হাজার ভিসা দেওয়া হয়। উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য আরও ২০ হাজার ভিসা বরাদ্দ থাকে। সাধারণত এই ভিসার মেয়াদ ৩ থেকে ৬ বছর।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি ছিল, প্রেসিডেন্টের অভিবাসন আইন অনুযায়ী এই ফি আরোপের ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি একটি আর্থিক জরিমানা হিসেবে বৈধ। তবে আদালত তা খারিজ করে দেয়।

আদালতের নথিতে বলা হয়, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট কর আরোপ করতে পারেন না… এই নীতি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া কর আরোপের সমান। আদালত আরও জানায়, পুরো নীতিটি অবৈধ এবং তা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হলো।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, এইচ-১বি কর্মসূচি বিদেশি কর্মীদের দিয়ে কম বেতনে আমেরিকান কর্মীদের প্রতিস্থাপনের জন্য অপব্যবহার করা হচ্ছে, যা অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। প্রশাসনের ভাষায়, কিছু খাতে এই ব্যবস্থা কৃত্রিমভাবে বেতন কমিয়ে দিচ্ছে এবং বিশেষ করে স্টেম ক্ষেত্রে দক্ষ কর্মী নিয়োগে সমস্যা তৈরি করছে।

মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইসি) রায়ে জানায়, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ৮৫টি ১ লাখ ডলারের ফি পরিশোধ করা হয়। এছাড়া ২০২৭ অর্থবছরের জন্য নিবন্ধন আগের বছরের তুলনায় ৩৮.৫ শতাংশ কমে ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৯৮১ থেকে ২ লাখ ১১ হাজার ৬০০-তে নেমে এসেছে।

এইচ-১বি ভিসা নীতি পরিবর্তন ও ফি বৃদ্ধির পরিকল্পনা ভারতীয় কর্মীদের মধ্যে বড় উদ্বেগ তৈরি করেছিল। কারণ এই ভিসার বড় অংশই ভারতীয়দের জন্য ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি খাতে চাকরি কমে যাওয়া এবং ৬০ দিনের মধ্যে নতুন চাকরি না পাওয়ায় অনেক ভারতীয় কর্মী দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হন। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর মার্কো রুবিওর কাছে উত্থাপন করেন। রুবিও স্বীকার করেন, অভিবাসন সংস্কারের সময় কিছু টানাপোড়েন থাকতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে একটি কার্যকর ব্যবস্থা সব পক্ষের জন্যই উপকারী হবে।

Leave a Comment