Uncategorized

আবাসন শিল্পে সরকারের নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা চায় রিহ্যাব

হাউসিং খাত চরম সংকটে পড়েছে আব সন শ ল প সরক র - আবাসন শিল্পে সরকারের নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা চায় রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

Desk Uncategorized
Published July 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হাউসিং খাত চরম সংকটে পড়েছে

আব সন শ ল প সরক র – আবাসন শিল্পে সরকারের নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা চায় রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। কারণগুলো হলো নির্মাণ খরচের বৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের সুদের হার বাড়তি, করের বৃদ্ধি এবং ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ও নতুন ইমারত বিধিমালা সংক্রান্ত বিভিন্ন কারণে খাতটি চরম চাপে পড়েছে। এটি স্থায়ীভাবে আবাসন খাতের উন্নয়ন ও বাণিজ্য ক্ষেত্র বৃদ্ধির জন্য কার্যকর নীতি ও আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। এ খাত নির্মাণ সামগ্রিক খরচ ও বাজার ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো কার্যকর হলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে।

খাতের অর্থনৈতিক সমস্যা ও কর্মসংস্থানের প্রভাব

রিহ্যাবের নেতারা বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় এসব দাবি তুলে ধরেন। সভাপতি ড. আলী আফজাল জানান, আবাসন ও সংশ্লিষ্ট শিল্প দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রায় ১৫ শতাংশ অবদান দিচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ফ্ল্যাট বিক্রি প্রায় ৬২ শতাংশ কমে গেছে বলে সে দাবি করেন। এই কমতি কার্যকর হাউসিং বাজারে প্রতিটি বছরের কার্যক্ষমতা প্রভাবিত করছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও নতুন বাজেটে কর বৃদ্ধি কারণে নির্মাণ খরচ প্রায় ৪৩ থেকে ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ব্যবসায়ীদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে বাণিজ্যে সংকট আনছে।

রিহ্যাবের অন্য প্রতিনিধি কর্তৃক বলা হয়েছে, নতুন নীতি ও আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন হবে আবাসন খাতের অবস্থা আবাসন শিল্প মূল্য বৃদ্ধি করতে পারে। বিশেষ করে কম আয়ের পরিবারগুলো ক্রেতা হিসেবে চাপে পড়ছে যার ফলে স্থায়িত্ব প্রাপ্ত আবাসন প্রকল্পগুলো মুষ্টিমার হতে শুরু করেছে।

বাজারে বৃদ্ধি পাওয়া আবাসন মূল্য ও ক্রেতা চাপ

নতুন নীতি ও আর্থিক সহায়তা ব্যবসায়ীদের জন্য কম ব্যয় ও প্রামাণ্য আবাসন মূল্য বৃদ্ধি করতে পারে। কারণ আবাসন শিল্পের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে নির্মাণ খরচ বৃদ্ধির কারণে বাজারে আবাসন মূল্য প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বেশি আয়ের পরিবারগুলো ক্রেতা হিসেবে অবস্থান বজায় রাখতে পারছে। যার ফলে আবাসন বাজার দীর্ঘ সময় পর্যন্ত স্থায়িত্ব ক্ষতি হতে শুরু করেছে।

ড্যাপ ও ইমারত বিধিমালা সংক্রান্ত সমস্যা

রিহ্যাব এটি বলেছেন যে নতুন ড্যাপ ও ইমারত বিধিমালা কার্যকর হওয়ায় আবাসন শিল্পের গতি স্তন্য হয়েছে। নতুন বিধিমালা অনুসারে প্রকল্পগুলো বেশি পরিমাণে কর্মসংস্থান ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু কার্যকারিতার দিক থেকে এটি কার্যকর হচ্ছে না বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেটা অনুযায়ী, বর্তমানে আবাসন শিল্পে স্থায়িত্ব প্রাপ্ত প্রকল্পগুলো প্রায় ২০ �

Leave a Comment