প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবেশ রক্ষার আহ্বান
প রক ত ও পর ব শ – প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে সবার একত্রে কাজ করার প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে। আহ্বানটি রাজধানীতে বিশ পরিবেশ দিবসে পরিবেশ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনের সময় জানানো হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে সবার একত্রে পরিবেশ রক্ষা ও গাছ লাগানো অভ্যাস গড়ে তুললে দেশে সবুজ বসতি গঠন সম্ভব হবে। তিনি এ আহ্বানটি স্থায়ী এবং সুসংগত পদক্ষিপ্ত কাজে পরিণত করতে আহ্বান জানান।
বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ পরিষ্কার সংক্রান্ত উদ্যোগগুলি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ অনুষ্ঠানে স্পষ্ট করে বলেন যে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষা এবং গাছ লাগানো অভ্যাস গড়ে তোলা দেশের সবুজ বসতি গঠনে সরাসরি অবদান রাখবে। এ সংক্রান্ত উদ্যোগগুলি দেশের শহরগুলিকে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য নির্দেশিকা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন যে আমাদের প্রতিদিন পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেতন হওয়া আবশ্যক। কারণ প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ ছাড়া আমাদের সমাজ ও অর্থনীতি নিরাপদ থাকবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিদিনের আচরণে পরিবেশ রক্ষা এবং গাছ লাগানো আদতে পরিণত করলে দেশে সবুজ বসতি গঠন সম্ভব। তিনি আরও জানান যে ঢাকা শহর বিশেষ ভাবে পরিবেশ সংরক্ষণে প্রথম আসন অধিকার করতে পারে।
রাজধানীতে বিশ পরিবেশ দিবসে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান যে সরকার ঢাকাকে বসবাস অযোগ্য নগরী হিসেবে তৃতীয় অবস্থানে রাখে। এ থেকে উত্তরন জরুরী বলে জানানো হয়। তিনি বলেন যে ঢাকা বিশ পরিবেশ দিবস ও বৃক্ষমেলার মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার প্রথম ধাপে আছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে সবার একত্রে যোগদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ও সমাজের স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
বৃক্ষমেলা ও পরিবেশ দিবস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন যে দেশের প্রতিটি স্তর ও মানুষ পরিবেশ সংরক্ষণে নিজ অবদান রাখতে পারে। তিনি আরও বলেন যে শিক্ষা স্তরে থেকে শুরু করে পরিবেশ রক্ষা সংক্রান্ত অজ্ঞাত বিষয়গুলি বুঝানো ও চিন্তা করানো জরুরী। সরকার এ অভিযোগগুলি সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রকার পরিবেশ বিষয়ক প্রকল্প প্রবৃদ্ধ করেছে। প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য এগুলি সবার জন্য সুবিধাজনক হতে চাইছে।
বর্তমানে দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে সবার সহযোগিতা ছাড়া কোনও গুরুতর সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন যে সবার সহযোগিতার প্রয়োজন হয় কারণ প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ একটি সুষম জীবন অর্থনী
