আর্কাইভ দিবসের স্মৃতি: ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রতিকূল অবদান
আর ক ইভ দ বস – প্রয়াত শেখ রাশিদ বিন সাঈদ আল মাকতুম ছিলেন দুবাইয়ের আধুনিক বিকাশের প্রধান স্থপতি। তিনি ফুটবল বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন, যা ১৯৬৬ সালে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই তথ্য একটি মৌখিক ইতিহাস ভিত্তিক সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক ম্যাচের সাথে দুবাইয়ের অন্যতম নির্মাতার অজানা সংযোগ উঠে এসেছে।
দুবাই ও ব্রিটিশ তত্ত্বাবধানের সময়
প্রতি বছর ৯ জুন আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস পালিত হয়। এই উপলক্ষে টেরেন্স ক্লার্ক দ্বারা প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে নোংশা বলা হয়েছে যে, শেখ রাশিদ উপস্থিত ছিলেন বিশ্বকাপ ফাইনালে। টেরেন্স ক্লার্ক দুবাইয়ে ব্রিটিশ প্রশাসনের সহকারী রাজনৈতিক এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ১৯৬৫ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত।
“১৯৬৬ সালের ৩০ জুলাই লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে শেখ রাশিদ উপস্থিত ছিলেন। সেই ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ড অতিরিক্ত সময়ে পশ্চিম জার্মানিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে নিজেদের প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ শিরোপাটি জিতে নেয়া হয়েছিল।”
ফাইনালটি ৯৬ হাজারের বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই তথ্য শেখ রাশিদের আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ডের একটি অন্যতম দিক ব্যক্ত করেছে।
সেসময় দুবাই দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল এবং শেখ রাশিদের নেতৃত্বে বিভিন্ন অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্প গড়ে তুলেছিল, যা পরবর্তীতে আধুনিক দুবাইয়ের ভিত্তি গঠন করেছিল। স্মরণ করা যায় যে, টেরেন্স ক্লার্ক দুবাইয়ে দায়িত্ব পালন করেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিষ্ঠার আগের সময়ে, যখন অঞ্চলটি ব্রিটিশ রাজনৈতিক তত্ত্বাবধানে ছিল।
“আল মাকতুম আর্কাইভ” দুবাই এবং এর নেতৃত্বের ইতিহা�
