Uncategorized

আসমা আল-আসাদ: লন্ডন থেকে সিরিয়ার রক্তাক্ত রাজনীতি ও ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে

আসমা আল-আসাদ: লন্ডন থেকে সিরিয়ার রক্তাক্ত রাজনৈতিক অবদানে পরিণত হওয়া আসম আল আস দ - আসমা আল-আসাদ হলেন সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের

Desk Uncategorized
Published July 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
cf355af5-35a3-4083-9aaf-f87f5316431f-0
Foto : Charles Thomas - todaybangladeshnews.com

আসমা আল-আসাদ: লন্ডন থেকে সিরিয়ার রক্তাক্ত রাজনৈতিক অবদানে পরিণত হওয়া

Todaybangladeshnews.com – আসম আল আস দ – আসমা আল-আসাদ হলেন সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের ব্রিটিশ স্ত্রী। তিনি লন্ডনে ছাত্রী হিসেবে পড়াশোনা করেছিলেন এবং পরে ডয়েচে ব্যাংক বা জেপি মরগানের মতো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছিলেন। বিশ্বের অভিজাত সমাজে বেড়ে ওঠা এই তরুণী ছিলেন আধুনিক পশ্চিমা মূল্যবোধ গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করা হতো।

পরিবার ও রাজনৈতিক অধিকারে স্থানান্তর

১৯৯৪ সালে বাশার আল-আসাদের বড় ভাই বাসেল আল-আসাদের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার দ্বারা রাজনৈতিক স্থান দখল করা হয়। হাফেজ আল-আসাদের মৃত্যুর পর তাঁকে সিরিয়ায় ফিরে আসতে হয়। সামরিক প্রশিক্ষণে স্থানান্তরিত হওয়ার পর তিনি সিরিয়ান ক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থিত হন। আসমার আসাদ শাসনের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব স্থাপন করে একটি সম্পূর্ণ বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালু করেছিলেন।

রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে তাঁর সম্মতিতে সরকার প্রাপ্ত হয়। সিরিয়ান আরব বসন্ত সংঘটিত হওয়ার পর তাঁর কর্মপদ্ধতি ও সিদ্ধান্তে প্রশ্ন উঠেছিল। যখন সরকারের প্রতি বিপ্লব বিস্তার করা হচ্ছিল, তখন বাশার আল-আসাদের সঙ্গে আসমা আল-আসাদের কাজ করা হয়েছিল দীর্ঘ গৃহযুদ্ধে সংশ্লিষ্ট নীতিগুলির নির্দেশনা দিয়ে।

আসাদ পরিবারের গৃহযুদ্ধ সামরিক অভিযানের স্মৃতি

আসমার পরিবারের ধ্বংস স্তূপ গঠনের ইতিহাস একদিনের নয়। হাফেজ আল-আসাদের শাসনে ক্ষমতার প্রাপ্তি হয়েছিল সম্ভাবনার জন্য ক্ষমতার চাপ তৈরি করা হয়। ১৯৮২ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডের বিদ্রোহ দমনের জন্য আনুষ্ঠানিক অভিযান পরিচালিত হয়। হামা শহরে মানুষ বিস্তার হয় বহু সংখ্যক। মানবাধিকার সংগঠনগুলো তাকে সিরিয়ার ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ হিসেবে বর্ণনা করেছিল।

২০০০ সালে হাফেজ আল-আসাদের মৃত্যুর পর বাশার আল-আসাদ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হন। প্রাথমিক পর্বে তাঁকে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো। কিন্তু আরব বসন্ত সিরিয়ায় পৌঁছালে সেই আশা নিখোঁজ হয়ে যায়। শিশুদের নির্যাতন এবং মানুষের প্রতি কঠোর অভিযোগ উঠেছ

Leave a Comment