কক্সবাজারে হামের ধাক্কায় তিন রোহিঙ্গা শিশু সহ মোট ২০ জন মৃত্যু
কক সব জ র হ ম – কক্সবাজার জেলায় হামের সংক্রমণ প্রাথমিক সময়ে চোখ বুজিয়ে গেছে। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবের তিনি শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে ঘোষণা করেন যে এ পর্যন্ত কক্সবাজারে হামের কারণে মোট ২০ জন মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে তিন জন রোহিঙ্গা শিশু। হামের প্রতি মাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সংক্রমণ হার বেড়েছে, কিন্তু অবশ্যই আক্রান্তদের সংখ্যা তুলনামূলক কম।
হামের প্রাথমিক পরিস্থিতি ও মৃত্যুর আকার
হামের সংক্রমণের প্রাথমিক সময়ে কক্সবাজার জেলায় অবস্থা গুরুতর ছিল। কিন্তু গত এক মাসে সংক্রমণ পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছে বলে জানান ডা. ছাবের। তবে এই নতুন মৃত্যু ঘটার পর হামের চিহ্ন আবার চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতে জানা গেছে যে আরফান (১৩ মাস) জ্বর, কাঁশি, খিঁচুনি ও রক্তে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রকাশ পেয়েছিল। তিনি গত বুধবার (১ জুলাই) কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন এবং তার চিকিৎসা শুরু হয়।
আরফানের শারীরিক অবস্থা এক দিন আগে শুরু হওয়া ক্রমবর্ধমান খারাপ হয়েছিল। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর তার অবস্থা আরও ক্ষীণ হয়ে যায় এবং তিনি মৃত হন। ডা. ছাবের বলেন, এ সংক্রমণে বিশেষ করে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিশুদের বেশি প্রভাবিত হয়েছে। কারণ এই জেলায় স্থানান্তরিত মানুষদের জন্য হাসপাতাল ও চিকিৎসা সুবিধা অপরিচিত ছিল।
মার্কিন বৃদ্ধি ও সামাজিক চিন্তা
সারাদেশে হামের সংক্রমণ দীর্ঘ সময় ধরে চলছে, কিন্তু কক্সবাজারে তা এখন পর্যন্ত অসাধারণ হয়ে উঠেছে। কিছু দিনের মধ্যে সংক্রমণের হার বেড়েছে এবং রোহিঙ্গা শিশুদের বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এ বিষয়টি এতটা গুরুত্বপূর্ণ যে এখন পর্যন্ত কক্সবাজারে হামের লক্ষণ দেখা যায় এবং আক্রান্ত হয়েছে মোট ৪ হাজার ২৬৮ জন। এদের মধ্যে ৪ হাজার ১৬৪ জন চিকিৎসা শেষে বেরিয়েছেন এবং বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০৪ জন।
রোহিঙ্গা শিশুদের হাম বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে স্বাস্থ্য পরিবেশের অভাব। এই জেলায় নূতন স্থানান্তরিত মানুষদের জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রায় অপূর্ণ ছিল। এই অবস্থার কারণে শিশুদের হাম বিপর্যয় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সংক্রমণে বেশি বিপর্যয় ঘটছে। কিছু দিন আগে এক শিশুর মৃত্যুর পর তিন দিনের ব্যবধানে আরও এক রোহিঙ্গা শিশু মারা যায়।
কক্সবাজার জেলার অবস্থা স্থিতিশীল থাকা সত্ত্বেও এই সংক্রমণ বিপর্যয় বাড়ছে। কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে হাম আক্রান্তদের কাছে ক্রমবর্ধমান চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। তাই কক্সবাজারে হাম বিপর্যয় প্রতি মাসে চোখ বুজিয়ে গেছে। এ ঘটনা সামাজিক �
