শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণাঢ্য ব্যান্ড উৎসব
শ র মঙ গল ব য ন – ৩ জুলাই শুক্রবার শ্রীমঙ্গল জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত হলো শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণাঢ্য ব্যান্ড উৎসব। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মঞ্চে রক গানের উচ্ছ্বাস আর দর্শকদের করতালি ছড়িয়ে পড়েছিল উৎসবের উপচে পড়া ভীড়। দর্শকদের প্রিয় গানগুলির সঙ্গে কণ্ঠের মেলামাট সহ ব্যান্ডের পরিবেশনা একে একে সম্পন্ন হয়েছিল।
ব্যান্ড সংগঠনের ইতিহাস
২০১২ সালে ছয়টি ব্যান্ড নিয়ে যাত্রা শুরু করা শ্রীমঙ্গল ব্যান্ড অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে উপস্থিত সমাবেশটি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে চলছিল। বর্তমানে সংগঠনটিতে ১৭টি ব্যান্ড দল রয়েছে। গত বছরগুলোতে নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে প্রায় ৪০০ জন শিল্পী মঞ্চে গান গাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
উৎসবে অংশগ্রহণকারী ব্যান্ডগুলো
অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে শ্রীমঙ্গলের ১০টি ব্যান্ড। প্রথম পর্বে পরিবেশনা শুরু হয় ড্রিফ্টলিন ব্যান্ডের মাধ্যমে। এরপর ক্রমাগত আওলোরন, বেটেল লিফ, অভ্র, সেক্টর ৩, থ্রিল, ইউনিটি, মিঙ্গাল, উই এবং সবশেষে প্রহর ব্যান্ডের কাজ সম্পন্ন হয়।
বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি
সংগীত উৎসবের আগে শ্রীমঙ্গলের ব্যান্ড সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য কনক কান্তি কর পান্নাকে কনক কান্তি কর পান্নাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরবর্তী অনুষ্ঠানে প্রয়াত গীতিকার ও সুরকার এ. কে. আনামকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়।
‘সুরমা নদীর তীরে আমার ঠিকানারে’, ‘ও মায়ার চান্দেরে’ সহ অসংখ্য কালজয়ী গানের সৃষ্টিকর্তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্য ভাই বুলবুল আনামের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় পর্বে ব্যান্ড সংগীতের বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখা জন্য যোশেফ দাশগুপ্ত, জয় সরকার এবং মশিউর রহমান রিপনকে সম্মানিত করা হয়। এ সময় অডিটোরিয়ামে আবেগঘন পরিবেশে সম্পূর্ণ আবহ রূপ নেয়।
মানবিক উদ্যোগ
উৎসবে ব্যান্ড সংগীতের পাশাপাশি মানবিক একটি উদ্যোগও স্থান পেয়েছিল। ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত জয়নগর এলাকার ১৯ বছর বয়সী তূর্য রায়-এর চিকিৎসার জন্য দর্শকদের আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানানো হয়। উপস্থিত অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিক্রিয়া দেন।
সাধারণ সম্পাদক প্রিতম দেব বলেন, ‘ব্যান্ড সংগীতের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এবং নতুন শিল্পীদের জন্য শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। দর্শকদের �
