কোরবানির হাট প্রস্তুত, ঢাকায় বসছে ২৭টি হাট
ক রব ন র হ ট প – ঈদুল আজহার পর্বে পবিত্র কোরবানি পর্বের জন্য রাজধানী ঢাকার মুখ্য মার্কেট এলাকায় বিশেষ হাট স্থাপনের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। দেশের বিভিন্ন শহরে কোরবানির হাট বসানোর কার্যক্রম চলছে, যার মধ্যে ঢাকায় মোট ২৭টি হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলি একটি সংযুক্ত দর দাবি প্রক্রিয়ায় চলছে, যার সাথে মার্কেট এলাকার অবস্থা সম্পর্কে প্রসারিত তথ্য রয়েছে।
পশুর হাট স্থাপনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সিটি করপোরেশনের আওতায় পশুর হাট স্থাপনের জন্য সারা দেশের কয়েকটি স্থানে কার্যক্রম চালু হয়েছে, যেমন ঢাকা দক্ষিণের পোস্তগোলা এলাকা, শাহজাহানপুর, আমুলিয়া, আফতাবনগর, শ্যামপুর, বনশ্রী ও গোলাপবাগ। উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় মিরপুর, কালশী, বাড্ডা, উত্তরা দিয়াবাড়ি, খিলক্ষেত ও বনরূপা আবাসিক এলাকায় হাট নির্ধারিত হয়েছে।
ইজারা মূল্য ও পর্যালোচনা প্রক্রিয়া
ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন বলেন, প্রস্তুতি পর্বে মোট কোরবানির হাটের প্রক্রিয়া চলছে। এখন পর্যন্ত ১০টি হাটে সর্বোচ্চ দরদাতাদের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু কয়েকটি হাটে কাঙ্ক্ষিত দর পাওয়া যায়নি, সেগুলোতে পুনঃদরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
এ হাটের ইজারা মূল্য ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা। বাকি হাটগুলোর জন্য পুনঃদরপত্র প্রক্রিয়া চলছে।
বিশেষ হাট স্থাপনের কার্যক্রমে প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণে কিছু বিভাগ আরও সংশোধন করছে। তবে প্রস্তুতি পর্বে কোরবানির হাটগুলি দ্বারা কোটি টাকা পরিমাণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। প্রতিটি হাটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন সংস্থার প্রকাশ্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে সামগ্রিক মূল্য ব্যবস্থাপনা সঠিক হয়।
প্রস্তুতি ও ভবিষ্যত চিন্তা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ হাট স্থাপনের কার্যক্রমটি ঈদুল আজহার পর্বের আগে প্রায় শেষ হবে। নির্ধারিত হাটগুলি যথাযথ অবস্থানে উপস্থিত হবে এবং প্রতিটি হাটে কোরবানির সামগ্রিক পরিমাণ ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া চলছে। পশু আমদানি ও বিতরণ ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে এ হাটগুলি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অবশ্য দেশের অন্যান্য শহরেও এ প্�
