Uncategorized

ক্যাম্পাসে ‘মব সংস্কৃতি’ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতামত: ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও মব সংস্কৃতি বৃদ্ধি ক য ম প স মব স - শনিবার (১৬ মে) রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে

Desk Uncategorized
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতামত: ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও মব সংস্কৃতি বৃদ্ধি

ক য ম প স মব স – শনিবার (১৬ মে) রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর অসন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে। তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলিতে সহিংসতা, মব সংস্কৃতি, ভয়ের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং শিক্ষার স্বাধীনতার সীমান্ত বৃদ্ধির কারণে আলোচনা করেন। আলোচনায় অংশ নিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সিকদার, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জারিন তাসমিন পুষ্পো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতা আব্দুল কাদের।

আলোচনায় বক্তাদের মতামত অনুযায়ী, আগস্ট ৫ তারিখে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর যে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আশা জাগিয়েছিল, তার পরিবর্তে ক্যাম্পাসগুলিতে নতুন করে সহিংসতা এবং দখলদারিত্বের প্রকৃতি ফিরে আসে। অতীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভয়ের সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত হত। গণরুম-গেস্টরুমের মাধ্যমে ভিন্ন মতাদর্শ দমনের পরিণতি হিসেবে ক্যাম্পাসে এক ধরনের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের আকার গড়ে ওঠে।

“অভ্যুত্থানের পর থেকে ধর্মান্ধ ও সহিংস প্রবণতার উত্থান দেখা গেছে,” বলেন রুশাদ ফারিদি।

শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ ছিল যে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ছাত্র সংগঠনগুলি দিয়ে মব সহিংসতার সমর্থন দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার বৃদ্ধি পায়। নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মব উসকে দেওয়া, শিক্ষকদের হেনস্তা এবং বিরোধী মত দমনের ঘটনাগুলি উঠে আসে।

গোলটেবিলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টাবিরোধ�

Leave a Comment