চট্টগ্রামে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, আসামি দোষ স্বীকার করেন
চট টগ র ম চ র বছর – চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের গাড়ি অবরোধ করে ও সংঘর্ষে পড়ে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনার সম্মুখীন হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করা হয় শুক্রবার (২২ মে) শিশুটির বাবার দ্বারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে আটক করে পুলিশ। সেই সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে হেফাজতে আসামি তুলে দেওয়ার দাবি জানান। ঘটনাস্থল থেকে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আসতে পুলিশ সদস্যরা পিছনে হটে থাকেন।
রাত সোয়া ১০টার দিকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। বিক্ষোভকারীদের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে এলাকার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর অভিযুক্তকে একটি ভবন থেকে হেফাজতে নেয়। নিয়ন্ত্রণে পৌঁছানোর জন্য অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
আদালতে হাজির করা হয় আসামিকে শুক্রবার বিকেলে। তিনি জবানবন্দি দেন দোষ স্বীকার করে। বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, পুলিশের গাড়ি আটকে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সময় ৩০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রস্তুত হয়।
মামলার বাদী শিশুটির বাবা বলেন, “বিচার দীর্ঘসূত্রতায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমি চাই, আমার মেয়ের মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করে আসামিকে শাস্তির আওতায় আনা হোক।”
এলাকার পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে। শিশুটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর আশঙ্কামুক্ত অবস্থা রয়েছে। এর পরে বিক্ষোভকারীরা সড়কে অবস্থান নেয় ও পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরায়।
