জুয়া থেকে কোটি টাকা ক্রিপ্টোতে সরিয়ে ফেলার অভিযোগ
জ য় র ক ট ট ক – অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি সংঘবদ্ধ চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যারা আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে আয় করেছিল। সিআইডি পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, গত ছয় মাসের মধ্যে চক্রটি প্রতিদিন আনুমানিক ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন করেছে এবং তার একটি বড় অংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আশরাফ উদ্দীন আহম্মেদ, সজীব চক্রবর্তী, আশরাফুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন, তৈয়ব খান, সৌমিক সাহা, মো. কামরুজ্জামান এবং আব্দুর রহমান। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডি আন্তর্জাতিক ও দেশীয় জুয়া ওয়েবসাইট পরিচালনা করেছিল। সেই সাইটগুলোতে কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেই অর্থ ডিজিটাল হুন্ডি ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ জানান, সাইবার পুলিশ সেন্টারের নিয়মিত নজরদারিতে অনলাইন জুয়া কার্যক্রম শনাক্ত হয়। এ ঘটনায় রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা করা হয়েছে। গত ৬ মে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর পলাশ থানা ও ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডি কার্যক্রমে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও ক্রিপ্টো ওয়ালেট শনাক্ত করার কাজ চলছে।
অভিযানে জব্দ করা হয়েছে ১৩টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিম কার্ড এবং বিভিন্ন কুরিয়ার রশিদ। এ আলামতের মধ্যে বিকাশ এজেন্ট সিমও রয়েছে। সিআইডি জানায়, ভুয়া এজেন্ট সিম বিদেশে পাচার করা হয়েছে এবং তার তথ্য পাওয়া গেছে।
সিআইডি প্রতিরোধের জন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও
