ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার তীব্রতা
ঝড় র গত ত ব ড়ছ ককর – ভারতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নামে পরিচিত একটি ব্যঙ্গধর্মী অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। কয়েক দিনের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে এর অনুসারী সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে যার ফলে রাজনৈতিক বৃত্তি ও তরুণ সমাজে জনপ্রিয়তার চর্চা উঠে আসছে।
প্রতিষ্ঠাতা কে হলেন?
সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্মটির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে অভিজিৎ দীপক নামে এক তরুণের নাম সামনে এসেছে। তিনি কয়েক দিনের মধ্যে বিপুলসংখ্যক তরুণ নিজেদের কর্মী হিসেবে যোগ দেওয়ার দাবি করছেন। তবে এসব সংখ্যার যাচাই করা হয়নি।
“অনেক বেকার তরুণ সামাজিক মাধ্যমে ককরোচ বা তেলাপোকার মতো অ্যাক্টিভিস্ট সেজে সময় কাটাচ্ছে।” – ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত
দাবি ও অভিযোগ
প্ল্যাটফর্মটি প্রচার করা পোস্টগুলোতে রাজনৈতিক দাবি সামনে আনা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বিচারপতিদের অবসর নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বন্ধ করা, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া বাইরে স্বাধীন যাচাই করা হয়নি। বিভিন্ন রাজ্যের উদাহরণ টেনে দাবি করা হচ্ছে যে ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়ম বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অনেকে মনে করছেন ভারতে ভোটার তালিকা সংস্কার প্রক্রিয়া রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে অভিযোগ করা হচ্ছে যে সত্যিকার ভোটারদের বাদ দেওয়া এবং ভুয়া ভোটার সংযোজন ঘটছে। দলটির সমর্থকদের মতে, মূলধারার গণমাধ্যম বিজেপির প্রতি সমর্থন দিচ্ছে।
তরুণ ভোটারদের প্রভাব
ভারতের বিরোধী দলগুলোও সাম্প্রতিক সময়ে তরুণ ভোটারদের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্ব দিচ্ছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বহুদিন ধরে তরুণ সমাজ এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সমস্যার উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। অন্যদিকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল সামাজিক মাধ্যমে তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য বিশ্বের বিভিন্ন গণআন্দোলনের উদাহরণ দেখিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন যে ভারতে তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও করপোরেট প্রভাবের কারণে অসন্তোষ বাড়ছে। সেই অসন্তোষ সামাজিক মাধ্যমে নতুন ধরনের রাজনৈতিক ব্যঙ্গের জন্ম দিচ্ছে। তবে এই অনলাইন জনপ্রিয়তা বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে কি পরিণত হবে, তা এখন নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
