যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের আবেদনে কঠোর বিধিনিষেধ; দেশে ফিরে করতে হবে আবেদন
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের আবেদন প্রক্রিয়া পরিবর্তন
য ক তর ষ ট র স – যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য অস্থায়ীভাবে আসা কোনো বিদেশি যদি স্থায়ী হওয়ার প্রক্রিয়া চান, তবে তাদের নিজ দেশে ফিরে গিয়ে মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এই পরিবর্তনের কারণে অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী, কর্মী এবং পর্যটক আবেদন করতে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। আইনি ভাষায় এই প্রক্রিয়াকে ‘অবস্থান পরিবর্তন’ নামকরণ করা হয়েছে।
নতুন নীতি অনুযায়ী স্থায়ী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি পেতে বিদেশি আবেদনকারীদের দেশে ফিরে আসতে হবে। এই বিধিনিষেধ কেবল বিশেষ পরিস্থিতির ক্ষেত্রে ছাড় দেয় না। প্রতিটি আবেদন প্রক্রিয়া এখন দেশে ফিরে আসা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হবে।
অভিবাসন ব্যবস্থার প্রভাব
“আমরা আইনের মূল উদ্দেশ্যে ফিরে যাচ্ছি, যাতে বিদেশিরা আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থার নিয়মাবলী অনুসরণ করে। এখন থেকে অস্থায়ীভাবে আসা কোনো বিদেশি যদি স্থায়ী বসবাসের অনুমতি চান, তবে তাকে দেশে ফিরে আসতে হবে,” বলেন মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা বিভাগের মুখপাত্র।
নতুন নীতি অনুযায়ী অস্থায়ীভাবে আসা কোনো বিদেশি স্থায়ী হওয়ার আবেদন করতে পারবেন না যদি তারা আবেদনের আগে মার্কিন দেশে অবস্থান করেন। এই বিধিনিষেধ দেশে ফিরে আবেদন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রভাব
বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রভাব এখন আরও বেশি হতে পারে। পূর্বে বিদেশে অবস্থান করে শিক্ষার্থী, কর্মী এবং পর্যটক যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার আবেদন করতে পারতেন। কিন্তু নতুন নীতি অনুযায়ী তাদের নিজ দেশে ফিরে আসতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সফর করা নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ ক্রমাগত অনুমোদন চাইতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সময় স্থায়ী হওয়া জন্য দেশে ফিরে আবেদন করতে হবে বলে কথিত হয়েছে।
স্থায়ী হওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া কি হবে?
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর শিক্ষার্থী, অস্থায়ী কর্মী বা পর্যটকরা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ও অল্প সময়ের জন্য আসেন। তাদের সফর শেষে দেশে ফিরে যাওয়ার কথা। এই অস্থায়ী সফর কোনোভাবেই স্থায়ী হওয়ার প্রথম ধাপ হতে পারে না।
স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের এখন অবশ্যই তাদের নিজ দেশে ফিরে আসতে হবে। এই বিধিনিষেধের ফলে অনে
