সিরাজগঞ্জে মেডিকেল শিক্ষার্থীকে গুলি, প্রভাষকের ২১ বছরের কারাদণ্ড
আত্মঘাতী গুলির ঘটনা ও আদালতের রায়
স র জগঞ জ ম ড ক – সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফ অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করে আহত করার জন্য আদালত তাকে ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। এই রায় সোমবার দুপুরে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ঘোষণা করেন বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মো. ইকবাল হোসেন। ঘটনার পর পুলিশ ডা. রায়হান শরীফকে আটক করে এবং তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৮১ রাউন্ড গুলি, চারটি ম্যাগাজিন এবং দুটি অত্যাধুনিক ছোরা উদ্ধার করে। এই অস্ত্র সংগ্রহ করে তিনি কর্মস্থলে গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন এবং প্রভাষক হিসাবে কার্যরত ছিলেন।
অস্ত্র আইনের অপরাধ এবং রায়ের বিস্তার
পূর্বে, ২০২৪ সালের ৪ মার্চ কলেজের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলায় ক্লাস চলাকালে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের উপ-পরিদর্শক মো. ওয়াদুদ আলী। তিনি এই ঘটনার পর তার সাক্ষ্য ও প্রমাণের পর আদালত ডা. রায়হান শরীফকে দুটি বিদেশি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ গুলি এবং অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ও ১৯(এফ) ধারায় মোট ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। তার বাবা অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক আরও জানান, “আমি আমার ছেলের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবো।” তবে আদালতের রায় কার্যকর হয় এটাই আরাফাত আমিন তমালের পিতা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।
ডা. রায়হান শরীফ শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করে আহত করেন। ঘটনার পর তিনি বলেন, “আমি এই রায়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নই। তবে আদালতের রায় কার্যকর হয় এটাই আমার চাওয়া।” পুলিশ তার জন্য ক্রমাগত অনুসন্ধান চালানো হয়েছিল এবং কারাদণ্ড করার পূর্বে তার সম্পর্কে কয়েকটি সাক্ষ্য সংগ্রহ করা হয়। এই ঘটনায় স র জগঞ্জ ম ড ক কার্যকরী প্রতিবেদন দেয় যে অস্ত্র আইনের মামলা একটি সাধারণ ঘটনা ছিল।
ঘটনার পর তার কারাদণ্ডের প্রতিবাদ শুরু হয়। প্রভাষকের সম্পর্কে প্রতিবেদন দেয়া হয় যে তিনি নিয়মিত সশস্ত্র ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সাক্ষ্য দেয়া হয়েছিল যে তিনি কর্মস্থলে দুটি বিদেশি পিস্তল ও অন্যা�
