Uncategorized

৪ হাজার কোটি টাকার ইনজেকশন: বরাদ্দ বাড়ছে, তবু কেন সুস্থ হচ্ছে না স্বাস্থ্যখাত?

৪ হাজার কোটি টাকার ইনজেকশন: বরাদ্দ বাড়ছে কিন্তু সুস্থ হচ্ছে না স্বাস্থ্যখাত? ৪ হ জ র ক ট ট - রাজধানী ঢাকার করাইল বস্তির বাসিন্দা রহিমা বেগম এক সপ্তাহে জ্বরে

Desk Uncategorized
Published July 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

৪ হাজার কোটি টাকার ইনজেকশন: বরাদ্দ বাড়ছে কিন্তু সুস্থ হচ্ছে না স্বাস্থ্যখাত?

৪ হ জ র ক ট ট – রাজধানী ঢাকার করাইল বস্তির বাসিন্দা রহিমা বেগম এক সপ্তাহে জ্বরে ভুগছেন। তিনবার সরকারি হাসপাতালে গিয়ে দীর্ঘ লাইন ও ভিড় দেখে ফিরেছেন, যদিও শেষে অনভিজ্ঞ পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধ কিনে খাচ্ছেন। তার অভিজ্ঞতা শুধুমাত্র একটি ঘটনা নয়; এটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি।

বাজেট বৃদ্ধি সত্ত্বেও ব্যয়ের গ্যাপ

২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতে বরাদ্দ প্রায় ৬৯ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। এটি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জিডিপির ১ শতাংশের বাইরে গিয়েছে স্বাস্থ্য ব্যয়ের ক্ষেত্রে।

একটি সংগঠনের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিত্ব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিকদের প্রতিনিধিত্ব করে দাবি করেছেন যে জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশ অপচয় হয়েছে। যন্ত্র অপেক্ষা রোগী বেশি এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্র অবহেলা প্রাপ্ত হয়েছে।

অপচয়ের চিত্রে ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর যন্ত্র ক্ষেত্রে এটি একটি বাস্তব উদাহরণ। বেসরকারি খাতে একটি হাসপাতালে মাত্র দুটি লিনাক যন্ত্র দিয়ে প্রতিদিন ১৬০ থেকে ২২০ জন রোগীকে রেডিওথেরাপি দেওয়া সম্ভব। বিপরীতে সরকারি ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে যন্ত্র বেশি থাকা সত্ত্বেও রোগী সংখ্যা তুলনামূলক কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা নয়, বরং নিখাদ ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতার প্রমাণ।

সুপারিশ ও প্রয়োগের ক্ষতি

স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন আগেই সুপারিশ করেছিল যে বাজেটে কমপক্ষে ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ রাখা আবশ্যক। কিন্তু ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেটি ছিল মাত্র ৫.৩ শতাংশ। দেশের সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কভারেজ সূচক মাত্র ৫৪,১০০-এর মধ্যে রয়েছে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রস্তাবিত জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়ের চেয়ে কম।

ঢাকা শহরের গবেষণা অনুযায়ী সবচেয়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠী তাদের মাসিক পারিবারিক আয়ের প্রায় ৩৩ শতাংশ চিকিৎসার জন্য খরচ করতে বাধ্য হয়, যেখানে ধনী গোষ্ঠী কেবল ৫.২ শতাংশ খরচ করে। এই দুর্নীতির বিপর্যয় হিসাবে সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ অপেক্ষার পরিণতি বাস্তবায়নে দেখা যায়।

জনবল ও সংকটের স্ত

Leave a Comment