আর্জেন্টিনার বিপদ থেকে প্রত্যাবর্তন করে ফাইনালে উতরেছে
৭ ম ন ট র ঝড় আরও – বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা স্পেনের মুখোমুখি হবে। এই মুহূর্তে তারা গত আসরের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফাইনালে পৌঁছেছে। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কাটা খেলায় তারা আগে যে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছিল তা ছাড়াও শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা গোলে পিছিয়ে পড়ে মোট ১৪ মিনিটের ঝড়ে প্রত্যাবর্তন করে ফাইনালের টিকিট পেয়েছিল।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কীভাবে ঘটেছিল প্রত্যাবর্তন
প্রথমার্ধে একটি গোল তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল না কোনো দল। তবে বারবার ফাউল ঘটে এবং গোলশূন্য সমতায় ম্যাচে গোল করতে পারেননি লিওনেল মেসি এবং হ্যারি কেইন। প্রথমার্ধ শেষে দুই দল মোট ১৯টি ফাউল করেছে। ইংল্যান্ড করেছে ৭টি, আর্জেন্টিনা করেছে ১২টি। রেফারি বেশ সংযত ছিলেন এবং মাত্র দুজনকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন।
৩৫ মিনিটে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক থেকে প্রতিরোধ করেছিল আর্জেন্টিনা। এবার ফ্রি কিক থেকে মেসির পাস ধরে ইংল্যান্ডের বক্সে শট নেন এনজো ফের্নান্দেজ। তার শক্তিশালী শট অল্পের জন্য গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।
বিরতির পর আর্জেন্টিনা মুক্তিলাভ করে। ৪৭ মিনিটে জেড স্পেন্সকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিক থেকে বক্সে ঢুকে শট নেন আলভারেজ। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক তা ঠেকিয়ে দেন। পরে লিওনেল মেসির ছোট করে নেওয়া কর্নারে বল দেওয়া-নেওয়া করে এনজো ফের্নান্দেজ শট নেন। প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে স্পেন ফাইনালে পৌঁছেছিল। গোলশূন্য প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা নিজেদের অবস্থা দেখেছিল এবং কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।
৫৫ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে মরগান রজার্সের ক্রসে বল পেয়ে অ্যান্থনি গর্ডন আর্জেন্টিনা জালে গোল করে। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে আলবিসেলেস্তেরা। ৫৮ মিনিটে জুলিয়ানো সিমিওনে একেবারে ফাঁকায় ছিলেন কিন্তু স্পেন্স নিখুঁত ট্যাকল করে বিপদ দূর করেন। ৬৮ মিনিটে জর্ডান পিকফোর্ড আর্জেন্টিনার গোল বঞ্চিত করে। ডান পাশ থেকে মেসির ক্রসে হেড করে নিকো গঞ্জালেস। বিপক্ষে গোলরক্ষক তা প্রতিহত করে।
৮৫ মিনিটে এনজো ফের্নান্দেজের দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকালেন পিকফোর্ড। পরে মেসির ছোট করে নেওয়া কর্নারে বল দেওয়া-নেওয়া করে দূরপাল্লার শট নেন এনজো। এবার পিকফোর্ড বল ফেরতি করতে পারেননি। ২-১ ব্যবধানে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায়। শেষ পর্�
